এক মাসের ব্যবধান। ফের তুরস্কে ডব্লিউটিটি ফিডারে চ্যাম্পিয়ন হলেন বাংলার প্যাডলার সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় এবং ঐহিকা মুখোপাধ্যায়। এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে ক্যাপাডোসিয়ায় মহিলা ডবলসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে ইস্তানবুলে ফের একই ইভেন্টে সেরা হল এই জুটি। এশিয়ান গেমসের বছরে ডব্লুটিটি-র মঞ্চে সুতীর্থা-ঐহিকার টানা সাফল্য আশা বাড়াচ্ছে ভারতীয় টিটি-র।
ইস্তানবুলে ফাইনালে সুতীর্থা-ঐহিকার প্রতিপক্ষ ছিল শীর্ষবাছাই ইউ-ঝুন লি এবং তুং-চুয়ান চেন জুটি। প্রথম গেম ১১-৮ পয়েন্টে জিতে শুরুতেই অ্যাডভান্টেজ পেয়ে যায় এই ভারতীয় জুটি। দ্বিতীয় গেমে একটা সময় লি-চেন এগিয়ে যান ৭-১ পয়েন্টে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে সুতীর্থারা জেতেন ১২-১০ পয়েন্টে। তৃতীয় গেম দুই বঙ্গকন্যা ৩-১১ পয়েন্টে হারার পর চতুর্থ গেমেও শুরুতে ০-৮ ব্যবধানে এগিয়ে যায় চাইনিজ তাইপের জুটি। দুরন্ত প্রত্যাবর্তনে টানা আটটা পয়েন্ট তুলে ৮-৮ করেন সুতীর্থারা।
শেষ পর্যন্ত ১২-১০ পয়েন্টে গেম জিতে চ্যাম্পিয়ন হন তাঁরা। ইস্তানবুল থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কলে সুতীর্থা বলছিলেন, “দু’মাসে দু’টো ডব্লিউটিটি ফিডার জিততে পেরে ভালোই লাগছে। ফাইনালে পিছিয়ে গেলেও আমরা চাপে পড়িনি। নিজেদের পারফরম্যান্সের উপর ভরসা রেখেছিলাম। প্রতিপক্ষ কী করছে, সেসব নিয়ে ভাবনাচিন্তা করিনি। তারই ফল পেয়েছি।”
এশিয়ান গেমসের বছর হওয়ার এবার একটু বেশিই প্রতিযোগিতায় নামতে হচ্ছে সুতীর্থাদের। এশীয় ক্রীড়ার শ্রেষ্ঠ মঞ্চে শেষ সংস্করণে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন সুতীর্থা-ঐহিকা জুটি। যদিও এবার একসঙ্গে জাতীয় দলে জায়গা পাবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। সুতীর্থা বলছিলেন, “ঐহিকার সঙ্গে খেলতে আমি খুবই স্বচ্ছন্দ্য। দীর্ঘদিনের বোঝাপড়া রয়েছে ওর সঙ্গে। সেটা খেলার সময় সাহায্য করে। এশিয়ান গেমসের দল কী হবে, এখনও জানি না। তবে আমরা তৈরি থাকছি।” তুরস্ক থেকে সরাসরি পর্তুগালে ডব্লিউটিটি ফিডার খেলতে যাচ্ছেন সুতীর্থারা। অন্যদিকে, ইস্তানবুলের এই ইভেন্টে পুরুষদের সিঙ্গলসে সেমিফাইনালে হেরে গিয়েছেন ভারতের অঙ্কুর ভট্টাচার্য ও প্রয়াস জৈন।
