প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন মেরি কম। অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সারের তোপ, একটা পয়সাও উপার্জন করেননি তাঁর প্রাক্তন স্বামী ওনলার। মেরি যখন কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের খরচ যোগাতেন, তখন ওনলার বাড়িতে ঘুমোতেন, এমন অভিযোগও এনেছেন প্রাক্তন বক্সার। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহ থেকেই একে অপরকে লাগাতার তোপ দেগেছেন মেরি-ওনলার।
একটি সাক্ষাৎকারে মেরি (Mary Kom) বলেন, "সফল কেরিয়ার তো দূরের কথা। ওনলার আসলে পথে পথে ফুটবল খেলে বেড়াত। সত্যি কথা বলতে একটাও পয়সা উপার্জন করেনি। কোনও আত্মত্যাগ নেই, কোনও অবদান নেই। দিনরাত পড়ে পড়ে ঘুমোত। আমার খারাপ লাগত খুব। আমি অনেক উপার্জন করেছি, বিশ্বাস করে সমস্ত অর্থ তুলে দিয়েছিলাম ওর হাতে। কিন্তু পরে দেখলাম, আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট একেবারে ফাঁকা হয়ে গিয়েছে।"
তবে মেরির বিস্ফোরক অভিযোগের পালটা দিয়েছেন ওনলার। তাঁর কথায়, "বিয়ের সময়ে আমি চুক্তিবদ্ধ ফুটবলার ছিলাম। ইউপিএসসির প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। মেরির বক্সিং কেরিয়ার যেন ভালোভাবে এগোতে পারে তার জন্য প্রচুর আত্মত্যাগ করেছি। ফুটবল ছেড়ে দিয়েছি, সন্তানদের দেখাশোনা করেছি। মেরিকে ভালোবেসেই সব দায়িত্ব সামলেছি।" ওনলারের কথায়, রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে মেয়াদ ফুরনোর পরে মেরিই তাঁকে নির্বাচনে লড়তে জোর করেছিলেন। সেকারণেই অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিবাহবিচ্ছেদের দু'বছর কেটে যাওয়ার পর আচমকাই কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে মেরি এবং ওনলারের মধ্যে। মেরি দাবি করেন, তাঁর নামে থাকা যাবতীয় সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছেন ওনলার। দেনা মেটাতে সেসব সম্পত্তি বেহাতও করেছেন তিনি। পালটা ওনলার বলেন, বিয়ের ভাঙার ১০ বছর আগে থেকেই পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন মেরি। তাঁদের চ্যাটের প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি ওনলারের। সেই 'যুদ্ধে'র আগুনে ফের ঘি ঢালল উপার্জন নিয়ে মেরির খোঁচা। উল্লেখ্য, ১৮ বছরের বিবাহিত জীবন ছিল মেরি-ওনলারের। গত ২০২৩ সালের ২০ ডিসেম্বর তাঁদের ডিভোর্স হয়। সেসময়ে এত বিতর্ক হয়নি। কিন্তু বিচ্ছেদের ২ বছর পর একে অপরকে কাঠগড়ায় তুলছেন একটা সময় পাওয়ার কাপল বলে পরিচিত মেরি-ওনলার।
