Advertisement
পরপর ১৬টি ফ্লপ, বিদায় জানাতে চান বলিউডকে! আজ এই মহাতারকাই ২৭০০ কোটির সাম্রাজ্যের অধিকারী
কেরিয়ারে একাধিক ফ্লপ ছবির পরও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এমন তারকার সংখ্যা কম নেই বলিউডে।
কেরিয়ারে একাধিক ফ্লপ ছবির পরও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এমন তারকার সংখ্যা কম নেই বলিউডে। ভালো করে দেখতে গেলে সেই তালিকা অনেক সময়ই দীর্ঘ হয়। ঠিক সেভাবেই এই তালিকায় নাম রয়েছে বলিউডের 'খিলাড়ি'র।
বুঝতেই পারছেন নিশ্চয়ই কার কথা বলছি? কথা হচ্ছে অক্ষয় কুমারের। ফিল্মি কেরিয়ারে পরপর ষোলোটা ছবি ফ্লপ হয়েছিল অক্ষয়ের। একটা সময় ব্যাংককে শেফের চাকরি করেছেন। হাড়ভাঙা খাটুনির পর রাত কাটাতে হয়েছে নাকি তাঁকে রান্নাঘরের মেঝেতেই। কিন্তু এতকিছুর পরও দমে যাননি তিনি। এতটুকু খামতি রাখেননি নিজের স্বপ্নপূরণে। নিজ পরিশ্রমে হয়ে উঠেছেন বলিউডের 'মহাতারকা'।
কিন্তু যে অক্ষয়ের আজ এত সাফল্য, এত সম্পত্তি সেই তারকাও আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতোই নিজের কেরিয়ার নিয়ে নিজেকে একসময় প্রশ্ন ছুঁড়েছেন। একের পর এক ফ্লপ ছবির পর ভেবেছিলেন অভিনয়টাই ছেড়ে দেবেন। কিন্তু না, তা আর করতে হয়নি। একটা সময় ঘোরে ভাগ্যের চাকা। এই মুহূর্তে বলিউডের 'মহাতারকা' অক্ষয়ের সম্পত্তির পরিমাণ ২৭০০কোটি।
২০১১, যখন একের পর এক ছবি ফ্লপ হয় অক্ষয়ের তখন অভিনয় থেকে সরে আসার কথা ভেবেছিলেন তিনি। তবে তা আর করতে হয়নি। কারণ ভাগ্যের চাকা ঘুরেছিল একটা সময়।
২০২১ থেকে ২০২৪ সাল নাগাদ অর্থাৎ কোভিড পরবর্তী সময় যখন তাঁর 'রাখীবন্ধন', 'সেলফি', 'সম্রাট পৃথ্বীরাজ'-এর মতো ছবি বক্স অফিসে ব্যর্থ হচ্ছিল তখন অনেকেই মনে করেছিলেন যে অক্ষয়ের বোধহয় আর কিছু দেওয়ার নেই এই ইন্ডাস্ট্রিকে। এই নিয়ে অকপটে সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন অক্ষয়।
অক্ষয় জানান তাঁর কেরিয়ারে এই ঘটনা প্রথম নয়। এর আগেও তাঁর বহু ছবি মুখ থুবড়ে পড়েছিল বক্সঅফিসে। সালটা ছিল ২০১১। পরপর ষোলোটা ছবি ফ্লপ হয় তাঁর। অক্ষয়ের উপর থেকে আস্থা হারাচ্ছিলেন সকলে। সেই সময় বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবতে শুরু করেন 'খিলাড়ি'। কানাডায় গিয়ে কার্গো ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করেছিলেন নাকি অক্ষয়। এক সংবাদমাধ্যমে এই নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েওছিলেন তিনি।
কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য সমস্ত ব্যবস্থাও শুরু করেছিলেন। অক্ষয় সংবাদমাধ্যমে এই নিয়ে বলেন, "আমার মনে হয়েছিল আমার ছবি আর সিনেমাহলে চলছে না। কিন্তু আমাকে বিকল্প কিছু ভাবতে হবে। তাই আমি সেইসময় কানাডায় যাওয়ার পরিকল্পনা করি এবং এক বন্ধুর সঙ্গে আলোচনাও শুরু করি।"
সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোচ্ছিলই। বন্ধুর সঙ্গে কানাডার বুকে নতুন ব্যবসা শুরুর পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই ভাগ্যের চাকা ঘোরে অক্ষয়ের। কানাডা যাওয়ার আগে তাঁর দু'টি ছবি মুক্তির আলো দেখে। একটি 'সূর্যবংশী' ও অন্যটি 'ওএমজি ২'। যা বক্সঅফিসে তুমুল সাফল্য পায়।
Published By: Arani BhattacharyaPosted: 10:32 PM Feb 07, 2026Updated: 10:32 PM Feb 07, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
