Advertisement
নামডাকই সার, বিশ্বকাপে চরম ব্যর্থ! রোনাল্ডো-কিমিচদের নিয়ে 'ফ্লপ' একাদশে কারা?
প্রদীপের আলোর নীচে আছে অন্ধকার। যাঁদের থেকে প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু চূড়ান্ত ফ্লপ। তাঁদের দেশও ডুবেছে।
বিশ্বকাপ শেষ। চ্যাম্পিয়ন স্পেন। রানার্স আর্জেন্টিনা। রড্রি বিশ্বকাপের সেরা প্লেয়ার। মাতিয়ে দিয়েছেন মেসি-এমবাপে-হালান্ডরা। এরকম আরও অনেকের নাম নেওয়া যায়। কিন্তু প্রদীপের আলোর নীচে আছে অন্ধকার। যাঁদের থেকে প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু চূড়ান্ত ফ্লপ। তাঁদের দেশও ডুবেছে। সেরকম একটি 'ফ্লপ' একাদশ তৈরি করলে কেমন হয়? ফর্মেশন ৩-৫-২।
গোলকিপার: উরুগুয়ের ৪০ বয়সি ফার্নান্দো মুসলেরা একার হাতেই দলকে বের করে দিয়েছেন। গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচেই ভুল করে গোল হজম করেছেন। স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচে তো নিজেই বসে যান। তবে এই তালিকায় তাঁকে জোর টক্কর দেবেন জার্মানির ম্যানুয়েল ন্যয়ার। অবসর ভেঙে না ফিরলেই বোধহয় ভালো করতেন। প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে পেনাল্টি বাঁচালেও দলকে বাঁচাতে পারেননি।
রক্ষণ: জার্মানির অধিনায়ক জোশুয়া কিমিচ চূড়ান্ত ব্যর্থ। দলে একতা তৈরি করতে পারেননি। মাঠেও কার্যকরী হতে পারেননি। তিন ডিফেন্সে আরেক স্টপার থাকবেন কাদিউ কুলেবালি। নরওয়ের বিরুদ্ধে সেনেগালের অধিনায়ক কার্যত একাই তিনটে গোল খাইয়েছেন। আরেক ডিফেন্ডারের জায়গার দাবিদার বেশ কয়েকজন। ব্রাজিলের দানিলো, নেদারল্যান্ডসের ভ্যান ডাইক বা পর্তুগালের রুবেন দিয়াজ।
মাঝমাঠ: অনেকেই দাবিদার। তবে দু'জন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডারের মধ্যে একজন অবশ্যই ফেদে ভালভের্দে। উরুগুয়ে দলের মধ্যে হাজারও গন্ডগোল। অধিনায়ক হিসেবে দলের উন্নতি করাতে পারেননি। সম্ভবত, বিশ্বকাপের আগে মাথায় আঘাতেই সব গুলিয়ে গিয়েছে। আরেক রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে রাখা যায় আর্জেন্টিনার রড্রিগো ডি'পলকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বদলি হিসেবে নামা ছাড়া ছাপ রাখতে পারেননি।
আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডারের দায়িত্বে পর্তুগালের ব্রুনো ফার্নান্দেজ। সম্ভবত বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় 'ফ্লপ'। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে সেরা সময়টার ধারেকাছে ছিলেন না। বলের আশেপাশে নেই, প্রেস করেননি, রোনাল্ডো যেন অচেনা একজন। কারণ একমাত্র তিনিই বলতে পারবেন। রিজার্ভে পর্তুগালেরই ভিটিনহা থাকবেন। শুধু সাইড পাস ও ব্যাক পাসের জন্য জায়গা করে নেওয়ার দক্ষতা আছে।
উইং: দুই উইংয়ে একজন দক্ষিণ কোরিয়ার সন হিউং মিন। অন্যজন সেনেগালের সাদিও মানে। নামডাকই সার। কোরিয়ার সনের গতি অনেক কমেছে। আজকাল গোলের কাছাকাছিও যেতে পারছেন না। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের আগে গোলে মাত্র তিনটে শট নিয়েছেন। অন্যদিকে সাদিও মানে আফকনেও ভালো পারফর্ম করেছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপে কোনও গোল নেই।
আক্রমণ: ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে নিয়ে প্রত্যাশার কমতি ছিল না। শেষ বিশ্বকাপ। ট্রফি জিতে স্মরণীয় করে রাখতে চেয়েছিলেন। তবে আক্ষেপ থেকেই গেল। বিশ্বকাপে মাত্র তিনটে গোল। গ্রুপ স্টেজে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে গোল করে আশা জাগিয়েছিলেন। নকআউটে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধেও গোল পান। কিন্তু দলের সঙ্গে সমঝোতার অভাব। মিডফিল্ড থেকে সেভাবে সাহায্য পাননি। বয়সও ছাপ ফেলেছে।
আক্রমণে রোনাল্ডোকে সঙ্গ দেবেন উরুগুয়ের ডারউইন নুনেজ। যিনি মোটামুটি গোল ছাড়া সব জায়গায় শট মারেন। রিজার্ভ বেঞ্চে জায়গা করে নেবেন ব্রাজিলের নেইমার। চোট সারিয়ে ফিরলেও পুরনো ফর্মের ধারেকাছে নেই। তাঁর সঙ্গে থাকবেন সতীর্থ লুকাস পাকেতা। এছাড়া রিজার্ভে থাকবেন ইংল্যান্ডের ননি মাদুয়েকে, ফ্রান্সের রায়ান চেরকি, আমেরিকার ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ।
Published By: Arpan DasPosted: 06:44 PM Jul 21, 2026Updated: 07:59 PM Jul 21, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
