Advertisement
মাচো মানে ঘরের কাজ নয়! মিথ ভেঙেই ভাইরাল, জানেন সঞ্জয়ের ক্রিয়েটর হওয়ার নেপথ্যে করোনা?
উপার্জনের জন্য এখন কনটেন্ট তৈরি করেন অনেকেই। তবে নিজগুণে যারা নেটদুনিয়ার মন জিতে নেন তাঁদের সংখ্যা যে খুব কম, তা বলাই বাহুল্য। সেই প্রিয়দের তালিকাতেই রয়েছেন সঞ্জয় বড়াই।
উপার্জনের জন্য এখন কনটেন্ট তৈরি করেন অনেকেই। তবে নিজগুণে যারা নেটদুনিয়ার মন জিতে নেন তাঁদের সংখ্যা যে খুব কম, তা বলাই বাহুল্য। সেই প্রিয়দের তালিকাতেই রয়েছেন সঞ্জয় বড়াই। পেশায় স্কুলশিক্ষক হয়েও নিজের দৈনন্দিন জীবনের খুঁটিনাটি তিনি তুলে ধরেন সোশাল মিডিয়ায়। যা যে কারও নজর কাড়তে বাধ্য। কিন্তু কীভাবে তিনি হয়ে উঠলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর? চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেই গল্প।
একটি পডকাস্টে খোলামেলা আড্ডায় ক্রিয়েটর হওয়ার জার্নি শেয়ার করেছেন সঞ্জয়। সেখান থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পেশাগত কারণে অর্থাৎ স্কুলের চাকরির সুবাদে বাড়ি থেকে দূরে থাকেন তিনি। মফস্বলের আর পাঁচটা ছেলে যেমন বাড়ির কাজে মোটামুটি অভ্যস্ত, সঞ্জয়ের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একেবারে সেরকমই। তবে সেই কাজ নেটদুনিয়ার সামনে তুলে ধরে যে পরিচিতি তৈরি করা যায় তা ভাবতেও পারেননি তিনি।
ব্যাপারটা ঠিক কী? করোনা কালে আর পাঁচজনের মতোই বাড়িতে আটকে পড়েছিলেন তিনি। ছিল না সাহায্য করার কেউ। ফলে রান্না থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ তাঁকেই করতে হত। সেই কাজ করার সময়ই একদিন তাঁর মনে হয় ভিডিও করলে কেমন হয়! যেমন ভাবা তেমন কাজ। গোটাটা রেকর্ড করে ফেলেন তিনি। সোশাল মিডিয়ায় তা আপলোড করতেই কেল্লাফতে। বাড়তে থাকে ফলোয়ার।
সমাজ এখনও ভাবতেই পারে না যে একজন পুরুষ সংসারের কাজ সামলাতে পারেন মহিলাদের মতোই। সেই ধারণাই বদলে দিয়েছেন সঞ্জয়। ছিমছাম ফ্ল্যাট, স্কুল থেকে ফিরে তার রান্নাঘরে গিয়ে কখনও কফি বানানো, কখনও আবার রান্না, কখনও গাছের পরিচর্যার ভিডিও দেখতে ভালোবাসেন সকলেই। তবে শুধু যে ঘরকন্নার ভিডিও করেন সঞ্জয়, তা কিন্তু নয়। সঞ্জয়ের মধ্যে লুকিয়ে অনন্য প্রতিভা। তাঁর হাতের কাজ যে কাউকে মুগ্ধ করে।
বহু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে তাঁর হাতের কাজ। পাঞ্জাবিতে কলকা হোক বা বাঁধনি প্রিন্ট, দোকানের ভরসা করতে হয় না সঞ্জয়কে। তিনি একাই একশো। ছুটির দিনে নিজেই বসে পড়েন প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে। মনের মতো করে নেন যে কোনও পোশাক। মজার বিষয় হল, সঞ্জয় কিন্তু কোনওদিন আর্ট স্কুলে যাননি। এই গুণ তাঁর ঈশ্বরপ্রদত্ত।
সঞ্জয়ের গুণে মুগ্ধ নেটদুনিয়া। মায়েরা জামাই হিসেবে যেমন পাত্র পছন্দ করে, নিঃসন্দেহে বলা যায় এই যুবক ঠিক তেমনই। যদিও সঞ্জয়ের কথায়, তিনি কখনই ভাবেননি যে ক্রিয়েটর হবেন। তবে যেভাবে মানুষের ভালোবাসা তিনি পাচ্ছেন, তাতে তিনি আপ্লুত। সঞ্জয় বলেন, "আমি কোনওদিন টাকা বা খ্যাতির জন্য ভিডিও করা শুরু করিনি। তবে এখন যেভাবে মানুষ ভালোবাসা দিচ্ছেন। দেখা হলে কথা বলছেন, তাতে আমি আপ্লুত।"
ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্ররা তৈরি করেছে স্মার্ট বর্ডার সিকিওরিটি সিস্টেমের মডেল। যেখানে তারকাঁটা কাটলেই বেজে উঠবে সাইরেন, জ্বলে উঠবে লাইট এবং অটোমেটিক্যালি খবর পৌঁছে যাবে বিএসএফ ক্যাম্পে।
কেবল প্রযুক্তিই নয়, জীব বিজ্ঞানের মডেলও চিল প্রদর্শনীতে। হারানচন্দ্র শরৎচন্দ্র শ্রীকৃষ্ণ বালিকা বিদ্যাপীঠের নবম শ্রেণির ছাত্রীরা তৈরি করে মানব হৃদপিণ্ডে রক্ত সংবহন পথের মডেল।
সাম্প্রতিক সময়ে চন্দ্রাভিযান-সহ মহাকাশে একাধিক সাফল্য পেয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। সে কথা মাথায় রেখে বগুলা হাই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র তৈরি করে চন্দ্রযান ৩-এর মডেল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন বগুলা ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কুমকুম ভট্টাচার্য। এই বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, অসিত সিকদার এবং বাংলার শিক্ষক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হয় গোটা কর্মকাণ্ড। সেমিনারের বিষয় ছিল "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে মানুষ কি হেরে যাবে?" বিষয়টিতে আলোকপাত করেন প্রকৌশলী, শিক্ষক সৈকত ঘোষ। এছাড়াও স্বামী বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতা স্মরণে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সত্যব্রত ভট্টাচার্য।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 05:04 PM Sep 13, 2026Updated: 11:01 PM Sep 13, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
