Advertisement
আকাশ ফুঁড়ে উঠছে ছাইমেঘ! ছবিতে দেখুন ইন্দোনেশিয়ার লাকি লাকি আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ রূপ
ভয়ে পালাচ্ছেন লাগোয়া ফ্লোরস দ্বীপের বাসিন্দারা।
নদী, জঙ্গল, পাহাড়, আগ্নেয়গিরি - এসবই আমাদের ধরিত্রীর একেক রূপ। প্রত্যেকে স্ব স্ব চরিত্রে বৈচিত্র্যময়। কখনও স্নিগ্ধ, কখনও রুদ্র। এর মধ্যে আগ্নেয়গিরির রূপ দেখা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, সে ঘুমিয়ে থাকলে দেখতে ভালো লাগে না। আর জাগলে সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। অথচ সেই ভয়ংকর রূপ না দেখলে আবার পুরোটাই 'ফাঁকি'।
সুপ্ত-জীবন্ত আগ্নেয়গিরিতে ঘেরা দ্বীপ ইন্দোনেশিয়া। সেখানকার লিউটোবি পর্বতের লাকি লাকি আগ্নেয়গিরি এখন জাগ্রত। ফলত হয়ে উঠেছে রাক্ষুসে। পরপর কয়েকদিন ধরে তার অগ্ন্যুৎপাত অব্যাহত। লাভা, ছাই উদগীরণ করতে করতে ক্লান্ত হলে একটু বিশ্রাম নিচ্ছে। তারপর আবার জেগে উঠে দেখাচ্ছে ভয়াবহ রূপ। তা দেখে ভয়ে পালাচ্ছেন লাগোয়া ফ্লোরস দ্বীপের বাসিন্দারা।
পৃথিবীর বুক চিরে লাকি লাকি আগ্নেয়গিরি থেকে বেরিয়ে চলেছে আকাশমুখী আগুনের গোলা! ছাইমেঘের উচ্চতা ১৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ছাড়িয়ে গিয়েছে। খুব ভয় লাগলেও এই দৃশ্য না দেখে কি থাকা হয়? দূর থেকে দাঁড়িয়ে কেউ তা ক্যামেরাবন্দি করেছেন অত্যন্ত সন্তর্পণে। কখন জরুরিকালীন তৎপরতায় প্রাণ বাঁচাতে পালাতে হয়, কে জানে!
লিউটোবি পার্বত্য এলাকা ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় শহর বালি থেকে বেশি দূরে নয়। আগ্নেয়গিরি থেকে উদ্গত ছাইমেঘ আকাশের দৃষ্টি ঢেকে দিয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বাতিল হয়েছে বেশ কয়েকটি উড়ান। এখন বালি যেতে হলে যথেষ্ট ঝুঁকি নিয়ে যেতে হবে।
স্থানীয় ভূতাত্ত্বিক সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ ওয়াফিদ জানাচ্ছেন, সোমবার সকাল ১১টা থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে। আর গোড়া থেকেই ছাইভরা মেঘে ছেয়ে গিয়েছে আকাশ। প্রথম দিন ১৮ কিলোমিটার পর্যন্ত তা উঠেছিল। সেইসঙ্গে ৭ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ এলাকা ঘিরে শুধু ধূসর আর ধূসর।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 05:16 PM Jul 08, 2025Updated: 05:16 PM Jul 08, 2025
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
