Advertisement
শহর থেকে মুছবে ব্রিটিশ নাম! ঘোষণা শুভেন্দুর, জানেন, বিশ্বজুড়ে কী কী চুরি করেছে ইংরেজরা?
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, শহরে আর কোনও রাস্তা বিদেশিদের নামে থাকবে না। কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত? ইতিহাসের পাতা ওলটালে বস্তুত রক্তাক্ত দৃশ্যের জন্ম হয়। কোথাও সাম্রাজ্য বিস্তারের দম্ভ। কোথাও-বা খুন-লুণ্ঠনের হাকিকত। ব্রিটিশ রাজত্বে চুরি গিয়েছে বহুমূল্য সব সম্পদ। সেইসব পাপাচারী ইংরেজদের চিহ্নই সরাতে চলেছে সরকার। ব্রিটিশ রাজত্বে ভারতীয়দের সম্পদ সিন্দুকে পুরেছিলেন সাহেবরা। সেই চুরির খতিয়ান জানলে অবাক হবেন আপনিও।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, শহরে আর কোনও রাস্তা বিদেশিদের নামে থাকবে না। কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত? ইতিহাসের পাতা ওলটালে বস্তুত রক্তাক্ত দৃশ্যের জন্ম হয়। কোথাও সাম্রাজ্য বিস্তারের দম্ভ। কোথাও-বা খুন-লুণ্ঠনের হাকিকত। ব্রিটিশ রাজত্বে চুরি গিয়েছে বহুমূল্য সব সম্পদ। সেইসব পাপাচারী ইংরেজদের চিহ্নই সরাতে চলেছে সরকার। ব্রিটিশ রাজত্বে ভারতীয়দের সম্পদ সিন্দুকে পুরেছিলেন সাহেবরা। সেই চুরির খতিয়ান জানলে অবাক হবেন আপনিও।
কোহিনূর হিরে: অন্ধ্রপ্রদেশের কোল্লুর খনি থেকে পাওয়া এই হিরে একদা মোঘল ময়ূর সিংহাসনের শোভা বাড়াত। ১৮৪৯ সালে ব্রিটিশরা এটি কেড়ে নেয়। রানি ভিক্টোরিয়া নিজের মতো করে হিরেটি কেটে নতুন রূপ দেন। ভারতের এই শ্রেষ্ঠ সম্পদটি আজও ফিরে আসেনি। তা এখন ব্রিটিশ রাজমুকুটের অংশ হয়ে লন্ডনে থেকে গিয়েছে।
টিপু সুলতানের আংটি: মহীশূরের বাঘ টিপু সুলতান যখন ব্রিটিশদের কাছে যুদ্ধে হারলেন, তখন তাঁর সমস্ত সম্পত্তি লুঠ করা হয়। সাহেবরা তাঁর তলোয়ার ও বহুমূল্য আংটিটি নিয়ে যায়। তলোয়ারটি পরে ফেরত দেওয়া হলেও আংটি আর ফেরত দেওয়া হয়নি। বিপুল মূল্যের সেই ঐতিহাসিক অঙ্গুরীয় ব্রিটিশরা পরে নিলামে বিক্রি করে দেয়।
এলগিন মার্বেল: গ্রিস থেকেও সম্পদ সরাতে ছাড়েনি ব্রিটিশরা। লর্ড এলগিন গ্রিসের এই ঐতিহাসিক মার্বেল নিয়ে আসেন। তাঁর দাবি ছিল, তিনি অনুমতি নিয়েই এটি এনেছিলেন। কিন্তু কোনও উপযুক্ত প্রমাণ মেলেনি। গ্রিস সরকার বারবার তাদের এই অমূল্য ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানালেও আজ পর্যন্ত তা ব্রিটিশ মিউজিয়ামেই বন্দি।
শাহজাহানের পাত্র: মোঘল সম্রাট শাহজাহানের সাধের সুরাভাণ্ডটিও নিজেদের কব্জায় নিয়েছিল ব্রিটিশরা। সাদা জেড পাথরের তৈরি এই পাত্রটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ছিল। কর্নেল চার্লস সেটন গুথরি নামের এক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা মোঘলদের এই রাজকীয় শিল্পকীর্তিটি হস্তগত করেন। এটিও আর কখনও ভারতের মাটিতে ফিরে আসেনি।
রবার গাছের বীজ: শুধু সোনা-দানা নয়, প্রাকৃতিক সম্পদও চুরি করেছিল ব্রিটিশরা। হেনরি উইকহ্যাম নামের এক অভিযাত্রী আমাজন থেকে গোপনে হেভিয়া ব্রাসিলিয়ানসিস বা রবার গাছের বীজ চুরি করেন। এই চুরির ফলেই ব্রাজিলের বিখ্যাত আমাজন রবার ব্যবসার রমরমা চিরতরে শেষ হয়ে যায়। লাভবান হয় ব্রিটিশরা।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 07:10 PM Jun 24, 2026Updated: 08:01 PM Jun 24, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
