Advertisement
ভারত নয়, পাকিস্তানের জার্সিতেই 'অভিষেক' শচীনের! ক্রিকেটের 'গোপন' ঘটনাগুলি জানলে চমকে যাবেন
কখনও শত্রু দেশের হয়ে খেলতে নেমেছেন ক্রিকেটাররা। আবার কখনও ব্যাটাররা বল হাতে এমন কামাল দেখিয়েছেন যার সামনে হার মেনেছেন বোলাররাও।
২২ গজের লড়াই। ব্যাটে-বলের লড়াই। কিন্তু ক্রিকেটকে স্রেফ এই গণ্ডিতে বেঁধে ফেলা অসম্ভব। দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্যে কখনও নজর কাড়ে স্পোর্টসম্যান স্পিরিট। আবার কখনও বা তা হয়ে ওঠে প্রতিবাদের মঞ্চ। এই ক্রিকেটেই ছড়িয়ে রয়েছে নানা মজাদার ঘটনাও।
কখনও শত্রু দেশের হয়ে খেলতে নেমেছেন ক্রিকেটাররা। আবার কখনও ব্যাটাররা বল হাতে এমন কামাল দেখিয়েছেন যার সামনে হার মেনেছেন বোলাররাও। মজাদার ঘটনাবলির তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে শচীন তেণ্ডুলকরের নাম। ব্যাট হাতে একের পর এক নজির গড়েছেন।
কিন্তু বল হাতে তিনি টপকে গিয়েছেন প্যাট কামিন্স এবং জশপ্রীত বুমরাহদের। বর্তমান পরিসংখ্যান বলছে, ওয়ানডে ক্রিকেটে কামিন্স বা বুমরাহর থেকেও বেশি উইকেট পেয়েছেন শচীন। ৪৬৩টি ম্যাচ খেলেছেন ক্রিকেটের ঈশ্বর। ১৫৪টি উইকেট পেয়েছেন হাত ঘুরিয়ে।
টেস্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন শেন ওয়ার্ন। কিন্তু অজি কিংবদন্তিকে ওয়ানডে'তে টপকে গিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সনৎ জয়সূর্য, যিনি আদতে ব্যাটার। ওয়ানডেতে তিনি পেয়েছেন ৩২৩টি উইকেট।
ভারত এবং ইংল্যান্ড দুই দেশের হয়েই টেস্ট খেলার অনবদ্য নজির রয়েছে ইফতিকার আলি খান পতৌদির। মোট ৬টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। প্রথম তিনটি টেস্ট ইংল্যান্ড এবং পরের তিনটি টেস্ট খেলেছেন ভারতের জার্সিতে।
বল হাতে অনবদ্য পারফরম্যান্সের জন্য 'সুইং অফ সুলতান' তকমা পেয়েছিলেন ওয়াসিম আক্রম। কিন্তু টেস্টে ২৫৭ নটআউটের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। শচীন তেণ্ডুলকরের চেয়েও বেশি রান করেছেন এক ইনিংস।
দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি উইকেটকিপার মার্ক বাউচার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাজারটি আউটের হাতছানি ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাউচারকে থামতে হয় ৯৯৮-এ। চোখে ভয়ংকর চোট পেয়ে শেষ হয়ে যায় বাউচারের কেরিয়ার।
ভারত বনাম পাকিস্তান-সর্বকালের সেরা দ্বৈরথের মধ্যে অন্যতম। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারতের সেরা পারফরম্যান্স সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের-যিনি পার্টটাইম বোলার। ১৯৯৭ সালে সাহারা কাপের ম্যাচে মাত্র ১৬ রানে তিনি তুলে নেন পাঁচ উইকেট।
বল হাতে বারবার কামাল দেখিয়েছেন শচীন। এক ওভারে ৬ বা তার কম রান ডিফেন্ড করার নজির রয়েছে তাঁর। সেটাও দু'বার। ১৯৯৩ সালে ইডেনে হিরো কাপের ফাইনাল এবং ১৯৯৬ সালে টাইটান কাপের ম্যাচ- দু'বারই বল হাতে ভারতকে জিতিয়েছেন শচীন।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 05:02 PM Mar 17, 2026Updated: 05:02 PM Mar 17, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
