Advertisement
৫০০০ কোটি! বিগ ব্যাশেও মালিকানা আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের, বিতাড়িত হবেন পাক ক্রিকেটাররা?
দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি লিগে একতরফা ভারতীয় মালিকদের রাজত্ব। এর মধ্যে ব্যতিক্রম ছিল অস্ট্রেলিয়া। এবার সেখানেও হাত বাড়াচ্ছে আইপিএলের দলগুলো।
দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি লিগে একতরফা ভারতীয় মালিকদের রাজত্ব। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা আমেরিকার লিগের দলগুলির নামের আগেও রয়েছে নাইট রাইডার্স বা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স নাম। এর মধ্যে ব্যতিক্রম ছিল অস্ট্রেলিয়া। এবার সেখানেও হাত বাড়াচ্ছে আইপিএলের দলগুলো।
অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রদেশের ক্রিকেট বোর্ডগুলোকে সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। তাদের জানাতে হবে, বিবিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশীদারিত্ব কেনার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবটিকে সমর্থন করে কি না। যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার লিগের পরিকাঠামোয় এক বিরাট বদল আসবে।
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড বিগ ব্যাশের আর্থিক ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করতে চায়। গোটা বিশ্বজুড়ে যেভাবে টি-টোয়েন্টি লিগ ছড়িয়ে পড়ছে, সেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। সেটাকে মাথায় রেখে বিগ ব্যাশের দলগুলোর মালিকানার অংশ বেসরকারি বিনিয়োগের হাতে তুলে দিতে চায়।
আশা করা হচ্ছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ৪৯ শতাংশ পর্যন্ত মালিকানা বিক্রি করতে পারে। বাকি অংশ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বা রাজ্য সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সিডনি বা মেলবোর্নের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর দাম সবচেয়ে বেশি উঠতে পারে।
সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে আইপিএলের মালিকরা। গোটা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন লিগে তাদের দল রয়েছে। আর্থিক ভিত্তি অনেক বেশি শক্তিশালী, ক্রিকেটের প্রতি তাদের আগ্রহ বেশি। সারা দুনিয়ার ক্রিকেট বাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাছাড়া ভারতের জনতার ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ প্রশ্নাতীত।
যদি শেষ পর্যন্ত বিগ ব্যাশের দলগুলোর অংশীদারিত্ব বিক্রি হয়, তাহলে বিরাট লাভ হবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার। অনুমান, মোট ৩৯৪ মিলিয়ন থেকে ৫২৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত লাভ হবে। ভারতীয় অর্থে যার পরিমাণ প্রায় ৫০০০ কোটি টাকা। এতে শুধু বোর্ড নয়, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররাও লাভবান হবেন।
তবে সবার আগে অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য ক্রিকেট বোর্ডগুলোর থেকে এই প্রস্তাবটির সংখ্যাগরিষ্ঠের অনুমোদন পেতে হবে। গত মাসেই তাদের কাছে প্রস্তাবটি পেশ করা হয়েছে। লিগের নিজস্ব পরিচয় বিক্রি করা যাবে না। তবে অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি উদ্বেগে যে, দলগুলোর নাম বদলে দেওয়া হবে না তো?
এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি লিগে ছটি দল আছে, যাদের মালিকানা আইপিএল কর্তৃপক্ষের হাতে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, মেজর লিগ ক্রিকেট, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও রয়েছে। প্রত্যেকটি দলের নামে জুড়েছে ভারতের লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নাম। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সেখানে প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের কোচ।
ইংল্যান্ডের হান্ড্রেড লিগের তিনটি দলের মালিকানা আইপিএলের কর্তৃপক্ষের হাতে। ম্যাঞ্চেস্টার সুপার জায়ান্টস, সানরাইজার্স লিডস ও এমআই লন্ডন। প্রতিটি দলের লোগোও বদলে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আটটি দলের মালিকানার স্বত্ব বিক্রি করে ইসিবি প্রায় ৫২০ মিলিয়ন পাউন্ডস অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৬০০০ কোটি টাকা তুলছে। যার একটা বড় অংশ ব্যবহার হবে কাউন্টি ক্রিকেটের উন্নতিতে।
Published By: Arpan DasPosted: 05:12 PM Apr 14, 2026Updated: 05:12 PM Apr 14, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
