Advertisement
২০১৮ থেকে প্রেমে মগ্ন, জানেন কি বিজয়-রশ্মিকার 'লাভস্টোরি'র অজানা এই দিকগুলি?
জনসমক্ষে বিভিন্ন সময় ধরা দিলেও নিজেদের সম্পর্কে কখনওই সিলমোহর দেননি তাঁরা। বিজয়-রশ্মিকার সম্পর্কের শুরুয়াত ২০১৮ সালে। ২০১৮ সালে' গীত গোবিন্দম' ও ২০১৯ 'ডিয়ার কমরেড' ছবিতে কাজ করার সময়ই দানা বেঁধেছিল প্রথমে বন্ধুত্ব ও তারপর ভালোবাসা।
সেই ২০১৮ সাল থেকে ডুবে ডুবে জল খাচ্ছেন বিজয় দেবরাকোণ্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও কখনও কঠিন কখনও আবার হাসিমুখে তা এড়িয়ে গিয়েছেন তাঁরা দু'জনেই। আসলে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনকে লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখতে পছন্দ করেন। আর তাই জনসমক্ষে বিভিন্ন সময় ধরা দিলেও নিজেদের সম্পর্কে কখনওই সিলমোহর দেননি তাঁরা। বিজয়-রশ্মিকার সম্পর্কের শুরুয়াত ২০১৮ সালে। ২০১৮ সালে' গীত গোবিন্দম' ও ২০১৯ 'ডিয়ার কমরেড' ছবিতে কাজ করার সময়ই দানা বেঁধেছিল প্রথমে বন্ধুত্ব ও তারপর ভালোবাসা। সেই সম্পর্ককেই একটু একটু করে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। অবশেষে তা পরিণতি পেতে চলেছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি চারহাত এক হতে চলেছে বিজয়-রশ্মিকার।
রাজস্থানের উদয়পুরে বিলাসবহুল ভেন্যুতে বসবে তাঁদের বিয়ের আসর। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়বর্গের উপস্থিতিতেই বিয়ে সারবেন তাঁরা। বিয়ের অনুষ্ঠানে থাকবে শুরু থেকে শেষ অবধি দক্ষিণ ভারতীয় সমস্ত নিয়মের ছোঁয়া। ইতিমধ্যেই প্রাক বিবাহ নিয়মাবলী শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁদের পরিবারে।
কিন্তু এই প্রথম নয় এর আগেও বিয়ের মতো বিষয়ে এগিয়েছিলেন রশ্মিকা। হয়ে গিয়েছিল বাগদান পর্বও। কিন্তু শেষমেশ সেই সম্পর্ক এগোয়নি। রশ্মিকা ও বিজয়ের এই বিয়ের আলোচনায় উঠে এসেছে অতীতের সেই ঘটনাও। ২০১৭ সালে তৎকালীন প্রেমিক রক্ষিত শেট্টির সঙ্গে বাগদান পর্ব সারার পর সেই বিয়ে ভেঙে যায়। সেই ঘটনার ঠিক এক বছরের আথাতেই বিজয়ের সঙ্গে আলাপ রশ্মিকার। একটু একটু করে এগিয়েছে সেই সম্পর্ক।
তবে শুধু রশ্মিকা একাই নন। এর আগে ইউরোপীয় এক মডেল ভার্জিনির সঙ্গে নাকি সম্পর্কে ছিলেন বিজয়। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন জল্পনাও চলেছিল। শোনা যায়, ইউরোপীয় ওই মডেলের সঙ্গে নাকি বিজয়ের পরিবারের সম্পর্কও বেশ ভালো ছিল। পরে যদিও তা আর বিয়ের মতো জায়গায় যায়নি।
তবে সেসব এখন অতীত। আগে থেকেই ২৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের বিয়ের যে জল্পনা ছিল তাতে সিলমোহর দিয়েছেন হবু দম্পতি। বৃহস্পতিবারই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শোনা যায়, ছেলের পাত্রী বাছার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত দিয়েছিলেন নাকি বিজয়ের মা। বাড়িতে বউমা আনার সময় যে কোনও ভারতীয় পরিবারেই তা একেবারেই ব্যতিক্রম কিছু নয়। কী ছিল সেই শর্ত? প্রথমত, ছেলের বউ যেন দক্ষিণ ভারতীয় হন। আর একটি হল সে যেন ছেলেকে ভালোবাসায় ভরিয়ে রাখেন। আর সেই সব শর্ত যে অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
গত অক্টোবরে বাগদান পর্ব সারার পর কিছুদিন আগে প্রাকবিবাহ মধুচন্দ্রিমা সেরে রোম থেকে ফিরেছেন 'লাভিডাভি ডুয়ো'। এবার সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের এক হেরিটেজ প্যালেসে রাজকীয় আসরে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হবেন। তার প্রাক্কালেই উদয়পুরে শুরু হয়ে গেল তিনদিন ব্যাপী বিয়ের অনুষ্ঠান। সোমবারই গন্তব্য়ে পৌঁছে গিয়েছেন হবু তারকাদম্পতি।
বন্ধুবান্ধব এবং ঘনিষ্ঠ বৃত্তের লোকেরাও একে একে পাড়ি দিতে শুরু করেছেন সেখানে। তাঁদের নিয়েই প্রাকবিবাহ উদযাপন শুরু করেছেন বিজয়-রশ্মিকা। ভেন্যু থেকে ফাঁস হওয়া বেশ কিছু ছবিতেই তার আভাস মিলল। কখনও পাহাড় ঘেরা পুলের মাঝে সারি সারি গ্লাস আর তার সঙ্গে অতিথিদের জলকেলি করতে দেখা গেল তো কোনও ফ্রেমে বা আবার কাড়ল নৈশভোজের টেবিলের সজ্জা।
রকমারি ফুল-ফলে সুসজ্জিত নিশি আসর। তবে ঘনিষ্ঠ সূত্র মারফৎ খবর, উদয়পুরে বিয়ের আসর বসলেও বিজয়-রশ্মিকা কিন্তু দক্ষিণী শিকড় ভুলে যাননি। বরং সাজপোশাক থেকে মেনু সবতেই নিজস্ব আঞ্চলিক ছোঁয়া বজায় রেখেছেন।
‘ওয়েলকাম ড্রিংক’ হিসেবে অতিথিদের দেওয়া হচ্ছে নারকেল জল। শুধু তাই নয়, বিয়ের তিন দিন খাবার পরিবেশন করা হবে কলাপাতায়। বলাই বাহুল্য, দক্ষিণী সংস্কৃতিতে নারকেল জল এবং কলাপাতার অর্থবহ গুরুত্ব রয়েছে। দক্ষিণ ভারতীয় বিয়েতে কলাপাতায় খাবার পরিবেশনের ঐতিহ্য বহু প্রজন্মের। আর সেই সংস্কৃতিকে আঁকড়েই উদয়পুরে বিবাহ অভিযান শুরু করেছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা।
Published By: Sulaya SinghaPosted: 10:17 PM Feb 24, 2026Updated: 10:21 PM Feb 24, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
