Advertisement
পাঠান থেকে গম্ভীর-সাইনা, রাজনীতির ময়দানেও দাপটে 'খেলা' ক্রীড়াবিদদের! কে হিট, কে ফ্লপ?
ভোটের আবহে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার হাওয়ায় ভাসেন ক্রীড়াবিদরাও। একনজরে দেখে যাওয়া যাক, কোন দলে কে?
লিয়েন্ডার পেজ: ভোটের আবহে বিজেপিতে যোগ দিলেন টেনিস কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন লিয়েন্ডার। জানিয়েছেন, ক্রীড়াক্ষেত্র এবং যুব সমাজের উন্নয়নের জন্য় তিনি কাজ করতে চান। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, আর কোন ক্রীড়াতারকা রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন? সফলই বা কে? ব্যর্থই বা কারা?
মহম্মদ আজহারউদ্দিন: ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক ২০০৯ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন। ওই বছর উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদ থেকে লোকসভার সদস্য হন। কিন্তু তিনি ২০১৪ ও ২০২৩ সালের পরবর্তী লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হন। বর্তমানে আজহার তেলেঙ্গানায় রেবন্ত রেড্ডির সরকারে সরকারি উদ্যোগ ও সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ও সাফল্যও পেয়েছেন।
নভজ্যোৎ সিং সিধু: ভারতের প্রাক্তন ওপেনার একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ২০০৪ ও ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। মাঝে কিছুদিনের জন্য রাজ্যসভার সাংসদ হন। ২০১৬ সালে নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠনও তৈরি করেন। এরপর দলবদল করে ২০১৭ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভও করেন। তবে ২০২২ সালের রাজ্য নির্বাচনে আপ প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হেরে যান। দীর্ঘদিন রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও প্রত্যাশিত সাফল্য পাননি।
রবীন্দ্র জাদেজা: ভারতীয় ক্রিকেট তারকার স্ত্রী বিজেপির বিধায়ক। জাদেজা একাধিকবার স্ত্রীর হয়ে প্রচারে গিয়েছেন। অবশেষে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সরাসরি বিজেপির সদস্য হন বিশ্বজয়ী অলরাউন্ডার।
রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর: অলিম্পিকে ভারতের জন্য প্রথম শুটিং রৌপ্য পদক এনে দিয়েছিলেন তিনি। ২০১৩ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়পুর থেকে বিজয়ী হন। ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাজস্থান সরকারের মন্ত্রী। রাজনীতিতে যথেষ্ট সফল রাজ্যবর্ধন।
সাইনা নেহওয়াল: প্রাক্তন বিশ্বসেরা এবং লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী ব্যাডমিন্টন তারকা ২০২০ সালে তার বোনের সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু এখনও নির্বাচনে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করেননি।
কীর্তি আজাদ: ১৯৮৩ সালের বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার প্রথমে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে সাংসদ হন। পরে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। কিন্তু সেখানেও বেশিদিন থাকেননি। ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। বর্তমানে কীর্তি আজাদ বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ।
হরভজন সিং: ২০২২ সালে আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ হন ভাজ্জি। প্রাক্তন ক্রিকেটার দলের ক্রীড়াবিভাগ ও জনকল্যাণ বিভাগ দেখভাল করেন।
ইউসুফ পাঠান: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন সিনিয়র পাঠান। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে অধীর চৌধুরীর মতো হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারান। সেই দিক থেকে তিনি সফল। তবে পরীক্ষা এখনও বাকি।
Published By: Arpan DasPosted: 08:12 PM Mar 31, 2026Updated: 08:12 PM Mar 31, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
