Advertisement
সাহসী লুকে বাজিমাত! সুন্দরী বলেই সঞ্চালনায়? নিন্দুকদের পালটা জবাব হেডেন-কন্যা গ্রেসের
পুরুষ আধিপত্যর মধ্যেও নিজের ছন্দে উজ্জ্বল থাকতে চান হেডেন-কন্যা।
ক্রিকেট সঞ্চালিকাদের তালিকায় আকর্ষণীয় নাম গ্রেস হেডেন। তাঁর আরও একটি পরিচয় আছে। তিনি প্রাক্তন অজি তারকা ম্যাথু হেডেনের মেয়ে। কিন্তু সবসময় এতো 'সাজুগুজু' করে থাকেন কেন? এবার তার সপাটে জবাব দিলেন গ্রেস। পুরুষ আধিপত্যর মধ্যেও নিজের ছন্দে উজ্জ্বল থাকতে চান হেডেন-কন্যা।
২০২৩-র বিশ্বকাপে সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন। ভারতকে নিজের 'দ্বিতীয় বাড়ি' বলে মনে করেন গ্রেস। এছাড়া ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও সঞ্চালনা করেছেন। শচীন তেণ্ডুলকরের কন্যা সারার সঙ্গেও দারুণ বন্ধুত্ব। যদিও সারার থেকে ৫ বছরের ছোট ২২ বছর বয়সি গ্রেস। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় দু'লক্ষ।
তবে মূল পরিচয় সঞ্চালিকা হিসেবেই। চারিদিকে পুরুষ সঞ্চালকদের ভিড়। তার মধ্যেও নজরকাড়া গ্রেস। তবে তাঁকে নিয়ে একটা অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। তিনি নাকি একটু বেশিই 'গ্ল্যামারাস'। পুরুষ আধিপত্যের এই জগতে ২৩ বছর বয়সি সঞ্চালিকার সাজপোশাক ও আচরণ নিয়ে বাঁকা কথা তুলতেও ছাড়ে না নিন্দুকরা।
কেউ আবার বলেন শুধু রূপ ও গ্ল্যামারের জন্যই সঞ্চালনার দায়িত্ব পান। খেলা নিয়ে নাকি ততটাও ধারণা নেই। তবে গ্রেস ওসবে পাত্তাও দেন না। আপাতত অস্ট্রেলিয়ান ফ্যাশান উইকের কাছে খুব ব্যস্ত। একদিকে খেলার মাঠ, অন্যদিকে গ্ল্যামারের দুনিয়া, একসঙ্গে সামলাতে সামলাতে নিন্দুকদের জবাব দিলেন হেডেন-কন্যা।
গ্রেস বলেন, "আমার মনে হয় খেলা ও মিডিয়া জগতে মহিলাদের ভূমিকা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি ক্রমশ বদলাচ্ছে। আর সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ব্যক্তিদের নিয়ে কথাবার্তা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। সত্যি কথা বলতে আমি ওসব নিয়ে খুব একটা ভাবি না। আমার মূল লক্ষ্য থাকে আমার কাজ কীরকম হল।"
তাঁর সংযোজন, "আমি সবসময় নিজেকে প্রস্তুত রাখি। সবসময় শিখতে থাকি। পেশাদারভাবে যে দায়িত্ব নিই, সেটা পালন করার চেষ্টা করি। খেলা, ফ্যাশান বা বিনোদনের জগতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাতে নিজেকে চ্যালেঞ্জ করা যায়, উন্নতির সুযোগ থাকে। আমাদের কাজের জন্য সেটা দরকার।"
কিন্তু ফ্যাশানে এতো আগ্রহ কেন? হেডেন-কন্যা বলেন, "ফ্যাশানের জগতে নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায়। নিজের বলার কথা প্রকাশ করা যায়। সব ইন্ডাস্ট্রির একটা নিজস্ব ভাষা আছে। এই ফ্যাশান উইকটা আমার কাছে সৃজনশীলতার উদযাপন। অস্ট্রেলীয় ডিজাইনারদের পাশে দাঁড়াতে চাই। কারণ এটাকে আমি ভালোবাসি।"
২৩ বছর বয়সি সঞ্চালিকার সাফ কথা, "লোকের বহু মতামত আছে। টিভিতে বা খেলার জগতে কাজ করলে অনেক কথা শুনতে হয়। সেসব আমি বুঝি। কিন্তু আমি সবসময় ইতিবাচক থাকতে পছন্দ করি।"
ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের আবহে বড় হওয়া গ্রেসের কাছে এই খেলা কেবল পেশা নয়, আবেগের বিষয়। গ্রেসের সঞ্চালনার মূল শক্তি তাঁর স্বতঃস্ফূর্ততা। কথায় ও সৌন্দর্যে দর্শকদের মনোরঞ্জন করায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া নাচটাও ভালোই জানেন।
Published By: Arpan DasPosted: 09:00 PM May 15, 2026Updated: 09:00 PM May 15, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
