shono
Advertisement
karmic cycle

একই ধরনের মানুষে বারবার আসক্ত! হীনমন্যতায় ভোগেন? 'কার্মিক বৃত্তে' জড়াননি তো?

আপনি ভাবেন, অন্য কেউ এসে রক্ষা করবে আপনাকে! তাই সব কিছুই ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেন। কিন্তু জানেন কি, কার্মিক সাইকেল ভাঙার ক্ষেত্রে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কেবল আপনিই পালন করতে পারবেন।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 06:19 PM May 21, 2026Updated: 06:19 PM May 21, 2026

জীবন কি থমকে গিয়েছে বলে মনে হছে? প্রতিদিন সকালে উঠেই কি ভাবেন, প্রত্যেকটা দিনই আদতে আগের দিনের পুনরাবৃত্তি? ক্লান্ত লাগে, ব্যর্থ লাগে নিজেকে? হতে পারে, আপনি আটকে গিয়েছেন কার্মিক বৃত্তে (karmic cycle)।

Advertisement

কার্মিক বৃত্ত কী? আধ্যাত্মিক দর্শন মতে, আমাদের কর্মই স্থির করে আমাদের ভাগ্য। জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি আমরা। ফলত ‘কার্মিক সাইকেল’-এ জড়িয়ে পড়ি আমরা। একই বাঁধা গতে যেন গোঁত্তা খেতে থাকি অনবরত। সাইকেল তখন ভাঙে, যখন এই আটকে পড়া অনুধাবন করি, সচেতন হই। আর কর্মের ধরন বদলাই। মানুষ সাধারণত এই প্যাটার্ন চিনতে না পেড়ে, ভেবে নেয় যে যা কিছু ঘটছে, তা আসলে তার দুর্ভাগ্য। আপনি এই বৃত্তে আটকেছেন কি-না, কীভাবে বুঝবেন? রইল চেনার উপায়।

জীবনের বিভিন্ন অবস্থায় নতুন করে নিজেকে অযোগ্য বলে মনে করেন।

১। একই ধরনের মানুষরা আপনার জীবনে ফিরে আসে। ভেবে দেখলেই লক্ষ্য করতে পারবেন যে, কোনও একটি মানুষের থেকে কষ্ট পেলেও পরবর্তীকালে একই ধাঁচের মানুষকে আপনি জায়গা দেন জীবনে। চেহারা বদলে গেলেও, তাদের আচরণ প্রায় এক!

২। সর্বক্ষণ হীনম্মন্যতায় ভোগেন। যাই করেন না কেন, নিজের পরিশ্রম যথেষ্ট বলে মনে হয় না আপনার কাছে। জীবনের বিভিন্ন অবস্থায় নতুন করে নিজেকে অযোগ্য বলে মনে করেন। ফলে আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায় বারবার। মানসিক অবসাদ নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়।

৩। দুঃখ আপনার কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হতে শুরু করে। এত দীর্ঘ সময় জুড়ে ভালো থাকার জন্য লড়াই করতে হয় আপনাকে, যে এক সময় খুশি থাকা কেমন হয়, তা-ই ভুলতে বসেন। বদলে ক্লান্তি-দুঃখের জীবনটিকেই মেনে নেন এক সময়।

৪। কোনও কাজ ভুল জেনেও তা থেকে সরে আসেন না। হয়তো জানেন যে আপনার নিজের কোনও স্বভাবের কারণে জীবনে দুর্দশা দেখা দিচ্ছে। তবুও সরে আসতে পারছেন না তা থেকে। এক মুহূর্তে সরে আসবেন ভেবে ফেললেও, পরমুহূর্তে আরও বেশি করে জড়িয়ে পড়েন তার সঙ্গে।

৫। কিছুদূর উন্নতি করেই আবার ফিরে যান অবনতির দিকে। একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে। ফলে সামগ্রিকভাবে উন্নতির মুখ আর দেখা হয়ে ওঠে না।

আপনি ভাবেন, অন্য কেউ এসে রক্ষা করবে আপনাকে!

৬। অন্যদের খুশি রাখতে নিজেকে কষ্টে রাখেন। ঝগড়া এড়িয়ে যেতে চান, অন্যের অস্বস্তির কারণ হতে চান না। তাই কোনও কাজ করতে ইচ্ছে না হলেও, উলটোদিকের মানুষটির মুখ চেয়ে তা করেন। নিজের ভালোমন্দটুকু একেবারেই ভেবে দেখেন না।

৭। আপনি ভাবেন, অন্য কেউ এসে রক্ষা করবে আপনাকে! তাই সব কিছুই ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেন। কিন্তু জানেন কি, কার্মিক বৃত্ত ভাঙার ক্ষেত্রে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কেবল আপনিই পালন করতে পারবেন। যদি এমন বৃত্তে জড়িয়ে গিয়ে থাকেন, তবে তা চিহ্নিত করুন। তা ভেঙে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন নিজেই।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement