ফেরোমন। প্রজননের জন্য বিপরীত লিঙ্গকে আকৃষ্ট করতে এর জুড়ি নেই। বহু প্রাণী বা পতঙ্গের শরীর নিঃসৃত এই রাসায়নিক বহু আলোচিত। মানুষের উপর এই রাসায়নিকের প্রভাব নিয়ে আজও গবেষণা চলছে। এর মধ্যেই নয়া ট্রেন্ডিং 'ভ্যাবিং'। শরীরে যোনি নিঃসৃত রস মেখে পুরুষকে আকর্ষণ করতে চাইছেন অনেক মহিলা। 'ভ্যাজাইনা' ও 'ড্যাবিং' এই দু'টি ইংরেজি শব্দ জুড়ে এই শব্দটি তৈরি করা হয়েছে। নাম থেকেই পরিষ্কার বিষয়টি ঠিক কী।
শুনতে যতই বিচিত্র লাগুক, সত্যিই এখন যৌনবিশ্বে ট্রেন্ডিং 'ভ্যাবিং'। যেভাবে সুগন্ধী শরীরে মেখে নেওয়া হয়, সেভাবেই অনেকেই যোনি নিঃসৃত রস শরীরের বিভিন্ন অংশে লাগিয়ে নিচ্ছেন। জানা নেই, কার মস্তিষ্কপ্রসূত আইডিয়াটি? তবে এটা জানা গিয়েছে, মূলত কান ও কবজিতে এই রস লাগিয়ে পছন্দের পুরুষের সংস্পর্শে আসতে চাইছেন অনেকে।
মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার ম্যান্ডি লি টিকটকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। পরে অবশ্য তা মুছেও দেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, দু'আঙুলের সাহায্যে যোনি থেকে রস বের করে শরীরে লাগাতে হবে। তাঁর কথায়, ''দিব্যি কেটে বলছি, ভ্যাবিং করলে আপনি পুরুষকে আকর্ষণ করতে পারবেন নিশ্চিত ভাবেই। তা সে ডেট হোক, ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড, কিংবা সারা রাত কারও থেকে বিনামূল্যে ড্রিঙ্ক খেতে হলে এর জুড়ি নেই।''
কিন্তু ম্যান্ডি যতই গলা ফাটান, ভ্যাবিং আদৌ পুরুষদের আকর্ষণ করতে পারে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। আসলে মনে করা হচ্ছে ফেরোমন থেকেই এই আইডিয়াটির জন্ম। তবে পতঙ্গের শরীরে ওই রাসায়নিকটি প্রমাণিত হলেও নারীর যৌনাঙ্গস্রাবের গন্ধ পুরুষকে রাসায়নিক সংকেত পাঠায় কিনা তা এখনও বোধহয় প্রমাণসাপেক্ষ। তবে ট্রেন্ডিং হতে গেলে প্রমাণ লাগে না। তাই বহু নারীই পছন্দের মানুষটিকে সঙ্গী করতে এমন আশ্চর্য কাজ করে চলেছেন। রাতারাতি চর্চায় উঠে এসেছে 'ভ্যাবিং'।
