জীবন মানেই তো মেনে আর মানিয়ে নেওয়া। ব্যক্তিগত জীবন হোক বা কর্মক্ষেত্র, সকলকেই কোনও না কোনও সময় মানিয়ে নিতেই হয়। কিন্তু এই মানিয়ে নেওয়ার সঙ্গে কিন্তু প্রবলভাবে যোগ রয়েছে আত্মসম্মানের। অর্থাৎ আপনি কোন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিচ্ছেন, কার সঙ্গে আপস করছেন, তা বলে দেয় আপনি আদতে কেমন মানুষ। চাপের মুখেও মেরুদণ্ড সোজা রেখে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন, নাকি সহজেই বশ্যতা স্বীকার করতে ভালোবাসেন। আপনার আত্মসম্মান বোধ কতটা তীব্র, তা বুঝিয়ে দেয় কঠিন পরিস্থিতিতে আপনার আচরণই। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক আপনি ঠিক কেমন।
১. কথায় কথায় সরি বলেন? অন্যায় না করলেও প্রতিক্ষেত্রে সমস্যা মেটাতে নিজেই দুঃখপ্রকাশ করেন? এটা কিন্তু প্রমাণ করে আপনি একেবারেই আত্মবিশ্বাসী নন, আত্মসম্মান বোধও তীব্র নয়। যদি কারও সঙ্গে কোনওকিছু নিয়ে মনোমালিন্য হয়, প্রথমে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন যে কোনও ভুল করেছেন কি না বা অযথা কাউকে কষ্ট দিয়ে ফেলেছেন কি না, যদি উত্তর হয় 'না', তাহলে ভুলেও সরি বলবেন না।
ফাইল ছবি।
২. যে কোনও মূল্যে উলটোদিকের মানুষটাকে খুশি করার চেষ্টা করেন? নিজের দিক বিবেচনা না করেই যে যা বলে তাতে হ্যাঁ বলে দেন? এটা কিন্তু আত্মসম্মান বোধ কম থাকারই প্রমাণ।
৩. সামান্য বচসার সময়ও পরিবারের সদস্যরা, সঙ্গী বা বন্ধুরা অপমান করলে তা সহ্য করে নেন? অনেকক্ষেত্রে দেখা যায়, ছোটবেলায় যদি খারাপ অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে তার জেরে এই ধরের প্রবণতা তৈরি হয়। তবে এটা ভুল। সবার প্রথমে নিজেকে বোঝান, "অপমান সহ্য করব না।"
৪. নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন? নিজেকে ব্যর্থ ভাবেন সর্বদা? এটা কিন্তু খুব খারাপ অভ্যেস। নিজেকে ভালোবাসুন। এটা সব থেকে বেশি প্রয়োজন।
ফাইল ছবি।
৫. অন্যের জন্য যে কোনও সময় নিজের রুটিন ঘেঁটে ফেলেন? ঠিক সময়ে খাওয়াদাওয়া করেন না? অন্য কাজও স্কিপ করেন? এই ভুলটা করবেন না।
৬. পদে পদে অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করেন? এটা কিন্তু নিজের সঙ্গেই ভয়ংকর অন্যায়। এই আচরণ আত্মসম্মান বোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। তাই একাজ করবেন না। কোনও পরিস্থিতিতেই নিজেকে অবহেলা করবেন না।
