প্রেমদিবস মানেই মাখোমাখো প্রেম। প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে ফুল-উপহার লেনদেন, একান্ত যাপন। এই প্রেমের সপ্তাহে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে উপহারসামগ্রী, গোলাপ বিক্রির পরিমাণ। একইভাবে এই সময়টায় বাড়ে কন্ডোম বিক্রিও। কতটা বাড়ল তা বোঝা যায় পরিসংখ্যান দেখেই। কিন্তু এবারে পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে অন্য তথ্য। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালের প্রেমদিবসে তুলনায় কন্ডোমের পাশাপাশি সেক্সটয় বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে তিনগুণ!
ফাইল ছবি।
ইন্সটামার্টের রিপোর্ট বলছে, এবছর প্রেমদিবসে ভারতীয়রা কন্ডোম ও সেক্সটয় কিনেছেন গতবারের তুলনায় তিনগুণ। যা বুঝিয়ে দিচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে প্রেমদিবস উদযাপনের পদ্ধতি। পার্কে, সিনেমায় সঙ্গীর হাতে হাত নয়, জেনজির পছন্দ রুমরেট। তবে নিরাপত্তা নিয়ে কোনওপ্রকার সমঝোতায় রাজি নন তাঁরা। সুরক্ষা তাঁদের প্রথম পছন্দ। একইভাবে ভালোবাসার সংজ্ঞা যে বদলাচ্ছে তা বুঝিয়ে দিচ্ছে সেক্সটয়ের বিক্রি বৃদ্ধি। ভালোবাসা দিবস যে শুধুই যুগলদের মধ্যে আবদ্ধ, তা কিন্তু আর বলা যাচ্ছে না। বরং এইদিনটি এখন নিজেকে ভালোরাখার, নিজেকে আনন্দ দেওয়ার।
এবছর প্রেমদিবসে ভারতীয়রা কন্ডোম ও সেক্সটয় কিনেছেন গতবারের তুলনায় তিনগুণ। যা বুঝিয়ে দিচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে প্রেমদিবস উদযাপনের পদ্ধতি। পার্কে, সিনেমায় সঙ্গীর হাতে হাত নয়, জেনজির পছন্দ রুমরেট।
ফাইল ছবি।
তবে ব্যাপারটা এমন নয় যে কেবলমাত্র যৌনতা সম্পর্কিত সামগ্রীর বিক্রিই বেড়েছে। রূপচর্চার বিক্রিও বেড়েছে এই সময়ে। রিপোর্ট বলছে, এইবছর ভ্যালেন্টাইনস ডে কার্টে স্নান, শরীর এবং মেকআপ সম্পর্কিত জিনিসপত্রের প্রাধান্য ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, বহু মানুষ কার্টে রেখেছিলেন শ্যাম্প, বডি ওয়াশের মতো সামগ্রী। একবারে কটকের এক ক্রেতা নাকি কেনাকাটা করেছেন ১৫ হাজার ৯৩ টাকার। সুরাটের একজন কিনেছেন প্রায় ১১ হাজার টাকার সামগ্রী। তাতে ছিল চুল ও বডি কেয়ার প্রোডাক্ট। কলকাতার একজন নাকি চকোলেট কিনেছেন ২৫ হাজার টাকার! ১৪ ফেব্রুয়ারি নাকি ইন্সটাস্মার্টের মাধ্যমে অন্যকে উপহার পাঠিয়েছেন অধিকাংশ।
