আজকের দিনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংকট জলবায়ু পরিবর্তনের (Climate Change) বিষময় প্রভাব। মেরুপ্রদেশে লাগামহীন হিমবাহ গলন থেকে শুরু করে এল নিনোর দাপটে বছরভর হয় অঝোর ধারায় বৃষ্টি, নয়ত তীব্র গরম অথবা শীতপ্রধান আবহাওয়া - এই সবই বিশ্বজুড়ে উষ্ণায়ন আর জলবায়ু বদলের ক্ষতিকর প্রভাব। এনিয়ে বিশ্বের তাবড় নেতারা ফি বছরই জলবায়ু সম্মেলন করেন। কিন্তু সেসব আলোচনা বস্তুত অন্তঃসারশূন্য। আর ঠিক এই জায়গায় দাঁড়িয়ে এবার আবহাওয়া পরিবর্তনের কুফল সম্পর্কে স্কুলপড়ুয়াদের ওয়াকিবহাল করতে যৌথ উদ্যোগ নিল ব্যাঘ্র সংরক্ষণ সংস্থা 'শের', টেরি স্কুল অফ অ্যাডভান্স স্টাডিজ এবং স্কটিশচার্চ কলেজ কর্তৃপক্ষ। আগামী সোমবার স্কটিশচার্চ কলেজে কলকাতার বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়াদের নিয়ে দিনভর কর্মশালা হতে চলেছে। সেখানে পড়ুয়াদের হাতে-কলমে আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে শেখানো হবে।
তারিখ ৩০ মার্চ, সোমবার। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত স্কটিশচার্চ কলেজে আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কর্মশালার নাম 'Knowing Climate Change'. স্কটিশের স্মার্ট ক্লাসে মূলত সংক্ষেপে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকারক দিকগুলি তুলে ধরে প্র্যাকটিক্যালের দিকে জোর দেওয়া হবে। বিভিন্ন যন্ত্র হাতে-কলমে ব্যবহার করে পরিবেশের একাধিক সূচক (Index)পরিমাপ শেখানো হবে।
তারিখ ৩০ মার্চ, সোমবার। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত স্কটিশচার্চ কলেজে আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কর্মশালার নাম 'Knowing Climate Change'. স্কটিশের স্মার্ট ক্লাসে মূলত সংক্ষেপে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকারক দিকগুলি তুলে ধরে প্র্যাকটিক্যালের দিকে জোর দেওয়া হবে। বিভিন্ন যন্ত্র হাতে-কলমে ব্যবহার করে পরিবেশের একাধিক সূচক (Index) পরিমাপ শেখানো হবে। ধরা যাক, বায়ুদূষণ কতটা, তা বুঝতে হলে জানতে হয় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI)। তা মাপার আলাদা যন্ত্র আছে। সোমবারের কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের শেখানো হবে, এধরনের সূচক কীভাবে পরিমাপ করা হয়, তাও।
এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালার আয়োজকরা জানিয়েছেন, ওইদিন পড়ুয়াদের থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসের পাশাপাশি প্রশ্নোত্তর পর্বও সারবেন শিক্ষকরা। এহেন কর্মশালার মূল লক্ষ্য, স্কুলস্তর থেকে যাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংকট সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার করা যায় এবং তা ফলপ্রসূ হয়। আয়োজকদের বক্তব্য, এই কর্মশালার পরের ধাপে কয়েকটি স্কুলে যদি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কিছু প্রজেক্ট করানো হয় এবং তা নিয়ে বছরশেষে সামগ্রিক রিপোর্ট প্রকাশ করা যায়। তাহলে তাতে স্পষ্ট হবে, কীভাবে পরিবেশ বদলের অভিশাপ থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে ছোট ছোট স্তরে পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
