বাংলার নির্বাচন পর্ব মানে এক উৎসবের পরিবেশ। প্রচার, জনসভা, স্লোগান মিলিয়ে জমজমাট এক ব্যাপার। শুধু কি তাই? ভোটের দিন এ দল-ও দলের মধ্যে সংঘর্ষের খবরেও সরগরম হয়ে ওঠে এখানকার নির্বাচনী লড়াই। প্রার্থীদের পরিচয় জানতে মুখিয়ে থাকেন ভোটাররা। নেতানেত্রীদের গতিবিধির দিকেও নজর থাকে। আজকের সময়ে হাতের কাছে গুগল। ফলে সেখানেই ভোটারদের যাবতীয় কৌতূহলের নিবৃত্তি ঘটে। আর সেই গুগলের পরিসংখ্যান এবার বেশ নজরকাড়া তথ্য দিল। গুগল সার্চের শীর্ষে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! প্রধানমন্ত্রী মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ তাঁর চেয়ে ঢের পিছিয়ে।
গুগল সার্চের পরিসংখ্যান বলছে, ১০০ জনের মধ্যে ৩১ জনই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বেশি কৌতূহলী। তাঁরা সার্চ ইঞ্জিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তথ্য খুঁজেছেন। এর চেয়ে অনেক পিছিয়ে নরেন্দ্র মোদি। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উৎসাহী ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ১৭ জন! আবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্পর্কে তথ্যতালাশ করেছেন আরও কম মানুষ, একশোর মধ্যে মাত্র ৭ জন। তবে সবচেয়ে কম কৌতূহল রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে। গুগলের তথ্য বলছে, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে সার্চ করেছেন ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ৩ জন।
সম্প্রতি গুগল সার্চের পরিসংখ্যান বলছে, ১০০ জনের মধ্যে ৩১ জনই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বেশি কৌতূহলী। তাঁরা সার্চ ইঞ্জিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তথ্য খুঁজেছেন। এর চেয়ে অনেক পিছিয়ে নরেন্দ্র মোদি। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উৎসাহী ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ১৭ জন! আবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্পর্কে তথ্যতালাশ করেছেন আরও কম মানুষ, একশোর মধ্যে মাত্র ৭ জন। তবে সবচেয়ে কম কৌতূহল রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে। গুগলের তথ্য বলছে, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে সার্চ করেছেন ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ৩ জন।
আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেত্রীর জাতীয় স্তরে জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। ক্ষমতাসীন বিজেপি হোক কিংবা বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতানেত্রীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখনও মজবুত। বিরোধিতা যেটুকু, তার পুরোটাই রাজনৈতিক ময়দানে। এর বাইরে মমতার মতো আন্তরিক মানুষ আর হয় না। ছোটদের কাছে তিনি 'মমতাদিদি', বড়দের কাছে 'মমতাজি'। আর বাংলার ঘরে ঘরে তিনি জননেত্রী। প্রান্তিক স্তর থেকে মহানগর - 'দিদি'ই ভরসা আমজনতার। তাঁর প্রতি কৌতূহল অসীম। একই কথা বলছে গুগলের পরিসংখ্যান। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদি জনপ্রিয় হলেও গুগল সার্চে তাঁকে নিয়ে তেমন খোঁজাখুঁজি নেই। আর অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জনগণের উৎসাহ আরও তলানিতে।
