দীর্ঘদিন ধরে একটি ফোন নম্বর ব্যবহার করছেন। আচমকা সেটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কারণ হতে পারে অনেককিছুই কিন্তু অনিবার্য বিষয় হল, সমস্যা পোহাতে হবেই। যদিও কেউ কেউ আবার বিষয়টাকে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে নতুন একটা সিম কার্ড তুলে নেন। আপনি নতুন সিম নিয়ে পুরনো নম্বরটির কথা ভুলে গেলেন, কিন্তু এখানেই লুকিয়ে বিপদ। কারণ, টেলিকম সংস্থাগুলো ৪৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে বন্ধ হওয়া নম্বরটি নতুন করে চালু করে। সেক্ষেত্রে আপনার পুরনো নম্বরের মালিকানা চলে যায় অন্যের হাতে। ফলে আপনার যাবতীয় ওটিপি পেয়ে যেতে পারেন সেই ব্যক্তি। যার জেরে প্রবল সমস্যায় পড়তে পারেন আপনি, ফাঁকা হতে পারে অ্যাকাউন্ট। চলুন জেনে নেওয়া যাক এক্ষেত্রে কী করবেন।
১. বর্তমানে ফোন নম্বর দিয়ে মেল, পেমেন্টে- সহ বিভিন্ন অ্যাপে লগ ইন করা থাকে। নতুন নম্বর নিলে প্রথমেই যাবতীয় অ্যাপে তা দিয়ে লগ ইন করুন। তবে প্রথমে আধার কার্ডে নম্বর চেঞ্জ করুন। তারপর ব্যাঙ্কেও।
২. শুধু নতুন নম্বর জুড়ে দিলেই হবে না। যেখানে যেখানে পুরনো নম্বর ব্যবহার করা ছিল, তা মুছে ফেলুন।
৩. বন্ধ করে দিন এসএমএস নির্ভর ভেরিফিকেশন।
৪. গুগল অথেন্টিকেটর (Google Authenticator) বা মাইক্রোসফট অথেন্টিকেটর (Microsoft Authenticator)-এর মতো অ্যাপগুলো সরাসরি আপনার ডিভাইসেই কোড তৈরি করে। মনে রাখবেন এগুলোর জন্য আপনার ফোন নম্বরের উপর নির্ভর করতে হয় না।
৫. মনে রাখবেন ব্যাকআপ বা রিকভারির ক্ষেত্রেও আপনার পুরনো নম্বরটি কোথাও যেন না থাকে।
বর্তমান সময়ে সবকিছুই মোবাইল নম্বর নির্ভর। ই-পেমেন্ট অ্যাপগুলোতে নম্বর ব্যবহার করেই নিমেষে মোটা অঙ্ক লেনদেন করা যায়। তাই নম্বর অন্য কারও হাতে গেলে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। তাই সুরক্ষিত থাকতে অবশ্যই মাথায় রাখুন উপরিউক্ত বিষয়গুলো।
