সোশাল মিডিয়ার সুবিধা যেমন বহু, তেমন অসুবিধাও রয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম খুললেই দেখা যায়, একজনের ছবি ব্যবহার করে একাধিক প্রোফাইল। তাতে নিয়মিত পোস্টও হয়। ফলে কোনটা আসল আর কোনটা নকল, তা বুঝতে হিমশিম খেয়ে যান সকলে। আর এই সমস্যার সুবিধাই নেয় অসাধুরা। ভুয়ো প্রোফাইল তৈরি করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করেন অনেকেই। সেই সমস্যা এবার সমাধানের পথে। নেপথ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ এআই।
ব্যাপারটা ঠিক কী? আপনি দিনের কোন কোন সময় সোশাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করেন, কোন ধরনের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, কোন গ্রুপ ফলো করেন-এই সবকিছুর একটা প্যাটার্ন থাকে। অর্থাৎ আপনি যে ধরনের পোস্ট করেন, তা শুধু আপনিই করেন। প্রত্যেকের পোস্টের আলাদা ধরণ থাকে। আপনি যে ধরনের ভিডিও শেয়ার করেন, তাও কিন্তু আর পাঁচজনের থেকে আলাদা। যা এআই-এর নখদর্পনে। এবার ধরুন একই নামের ও ছবি ব্যবহার করা প্রোফাইলের অ্যাকটিভিটি আলাদা হল, তা সহজেই শনাক্ত করতে পারে এআই। এবার আপনার প্রোফাইলের ছবি থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বুঝে যায় যে সেটি আসল কি না, কোথায় তোলা, ফলে খুব সহজেই বুঝে নিতে পারবে কোন প্রোফাইলটি আসল, কোনটি নকল। ফলে অপরাধীকে শনাক্ত করা হবে খুবই সহজ।
সোশাল মিডিয়া ও এআই-এর দৌলতে গত কিছুদিন ধরে অনলাইন অপরাধের ঘটনা বেড়েই চলেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অনেকেই ভুয়ো ছবি তৈরি করে বহু মানুষকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। এই পরিস্থিতিতে এআই ব্যবহার করে ভুয়ো প্রোফাইল শনাক্তকরনের বিষয়টা আমজনতাকে সুরক্ষা দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
