২০২৩ সাল থেকে ধরলে অন্তত ৯, সম্ভবত ১০ জন বিজ্ঞানী 'অদৃশ্য' হয়ে গিয়েছেন আমেরিকা (US Missing Scientists) থেকে। তাঁরা সকলেই পরমাণু, মহাকাশবিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করতেন। জানা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে কেউ মারা গিয়েছেন, কেউ বা নিখোঁজ হয়েছেন। এই রহস্য ঘিরে ঘনাচ্ছে কুয়াশা। এই পরিস্থিতিতে অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুলল হোয়াইট হাউস।
প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এদিন এই বিষয়ে প্রশ্নের মুখে নীরবতা ভঙ্গ করে জানান, ''আমি এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলিনি। আমি অবশ্যই কথা বলে আপনাদের উত্তর দেব। যদি এটা সত্য হয়, তবে নিঃসন্দেহে তা এমন একটি বিষয় যা প্রশাসন খতিয়ে দেখার যোগ্য বলেই মনে করবে।''
তবে তিনি এমন বললেও প্রশ্ন উঠছে, কেন এতদিন এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রশাসনের নজরেই আসেনি! অথবা এমনও কি হতে পারে না, সব জেনেশুনেই না জানার ভঙ্গি করছে হোয়াইট হাউস! এমনই নানা প্রশ্ন উঠে আসছে। আসলে এই বিষয়টি পুরোটাই মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত। লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির মতো সংস্থার বিজ্ঞানীরা নিখোঁজ হয়েছেন। এই সব স্থানেই পারমাণবিক অস্ত্রের মতো বিষয় নিয়ে গবেষণা চলে। সেখানেই এমন ঘটা মানে নানা ধরনের বিপদের আশঙ্কা থেকেই যায়। যার মধ্যে প্রধান আশঙ্কা অবশ্যই গবেষণার তথ্য ফাঁসের। এহেন পরিস্থিতিতেও কেন আমেরিকা নীরব ছিল এতদিন সেটাকে ঘিরেই রহস্য জাগছে।
নিখোঁজ বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ পায়ে হেঁটেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফিরে আসেননি। সঙ্গে ফোন, মানিব্যাগ, চাবিগুচ্ছ কিছুই ছিল না। যাঁরা মারা গিয়েছে, তাঁদের মৃত্যুও ঘটেছে আকস্মিক। ফলে আশঙ্কা জাগছে, তাহলে কি স্পর্শকাতর তথ্য হাতাতেই কোনও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে? আপাতত দেখার, ওয়াশিংটন এই নিয়ে কী ব্যাখ্যা দেয়।
