shono
Advertisement
Guinea Landfill Disaster

ভারী বৃষ্টিতে গিনির আবর্জনার 'পাহাড়ে' ভয়াবহ ধস, অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু

রবিবার ওই স্থানটি বন্ধ করার কথা ছিল। সেইমতো আবর্জনার স্তূপের নিকটবর্তী বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর অনেকে এলাকা ছেড়ে চলে গেলেও দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ সেখানে ছিলেন।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:28 PM Aug 24, 2026Updated: 05:59 PM Aug 24, 2026

ভারী বৃষ্টির জেরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার আফ্রিকার দেশ গিনিতে। রাজধানী কোনাক্রিতে দার এস সালামের সবচেয়ে বড় আবর্জনার স্তূপে ধসের জেরে মৃত্যু হল অন্তত ৩০ জনের। পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপের নিচের আরও বহু মানুষ আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধারকারীদের অনুমান, এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

Advertisement

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, কোনাক্রির ওই অঞ্চলে গোটা শহরের আবর্জনা জমা করা হয়। বছরের পর বছর ধরে আবর্জনা জমা করে রাখায় তা বিরাট পাহাড়ের রূপ নিয়েছে। রবিবার রাত ২টো নাগাদ প্রবল বৃষ্টির জেরে সেই আবর্জনার স্তূপ দিয়ে জল বইতে শুরু করে এবং বড়সড় ধস নামে। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি গুরুতর আকার নেয়। বড়সড় ধস নামে সেখানে। ঘটনায় আশপাশে থাকা কুঁড়েঘরগুলি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে। নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

রবিবার রাত ২টো নাগাদ প্রবল বৃষ্টির জেরে সেই আবর্জনার স্তূপ দিয়ে জল বইতে শুরু করে এবং বড়সড় ধস নামে।

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার ওই স্থানটি বন্ধ করার কথা ছিল। সেইমতো আবর্জনার স্তূপের নিকটবর্তী বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর অনেকে এলাকা ছেড়ে চলে গেলেও দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ সেখানে ছিলেন। তারাই এই দুর্ঘটনার শিকার হন। প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর জীবিত অবস্থায় ৬ জনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ৩০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। আরও বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ বলে জানা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, আফ্রিকার দেশগুলির আবর্জনার পাহাড়ে এহেন দুর্ঘটনার ঘটনা এই প্রথমবার নয়। দিনের পর দিন আবর্জনা জমে বিশাল পাহাড়ের রূপ নিচ্ছে। স্তূপগুলি আরও ভারী ও উঁচু হচ্ছে। অথচ এগুলি নিম্নভাগ অত্যন্ত দুর্বল। যার জেরে বৃষ্টি শুরু হলে এইসব অঞ্চলে ঝুঁকি বাড়ে। জল জমে স্তূপের ওজন বেড়ে তৈরি হয় ধসের ঝুঁকি। অনেকে এই বর্জ্য থেকে প্লাস্টিক ও ধাতু বের করে জীবিকা নির্বাহ করে। তারাই সবচেয়ে বিপদের মধ্যে পড়েন। ২০০০ সালে ফিলিপিন্সে এমনই এক দুর্ঘটনায় ২৮০ জনের মৃত্যু হয়, ২০০৫ সালে ইন্দোনেশিয়ায় মৃত্যু হয় ১৪৩ জনের। ২০১৭ সালে ইথিওপিয়ায় ১১০ জন, ২০১৫ সালে চিনে ৭৭ জন প্রাণ হারান। ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কায় ৩২ জন ও ২০১৮ সালে মোজাম্বিকে ১৬ জনের মৃত্যু হয় এমনই দুর্ঘটনায়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement