shono
Advertisement
Australia

বন্ডি বিভীষিকা থেকে শিক্ষা, অস্ত্র আইন কঠোর হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়, পার্লামেন্টে বিল পাশ

ভোটাভুটির আওতায় ছিল ঘৃণাভাষণের বিষয়ও। ইতিমধ্যে ৯৬/৪৫ ভোটে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে পাশ প্রস্তাব।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:27 PM Jan 20, 2026Updated: 02:27 PM Jan 20, 2026

২০২৫ সালটা বোধহয় ভুলতে পারবেন না অজিরা। শেষ সময়টা তাঁদের কাছে ছিল অভিশপ্ত। শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার শিকার অস্ট্রেলিয়াবাসী। সুন্দরী বন্ডি সৈকতে দুই বন্দুকবাজের হামলা প্রাণ কেড়েছিল ১৫ নিরীহ জনের। জখম হন আরও অনেকে। ইসলাম ধর্মাবলম্বী বাবা-ছেলের একাধিক লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক ছিল। এই হামলার পরই অজি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজ ঘোষণা করেছিলেন যে দেশে আগ্নেয়াস্ত্র আইন কঠোরতর করা হবে। সেই কাজে এতটুকুও দেরি করলেন না। নতুন বছরের শুরুতেই পার্লামেন্টে প্রস্তাব এনে বিল পাশ করিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া প্রশাসন। ইতিমধ্যে ৯৬/৪৫ ভোটে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অস্ত্র আইন কঠোর করার প্রস্তাব পাশ হয়েছে। তা এখন সেনেটের অনুমোদনের অপেক্ষায়।

Advertisement

অজি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজ ঘোষণা করেছিলেন যে দেশে আগ্নেয়াস্ত্র আইন কঠোরতর করা হবে। সেই কাজে এতটুকুও দেরি করলেন না। নতুন বছরের শুরুতেই পার্লামেন্টে প্রস্তাব এনে বিল পাশ করিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া প্রশাসন। ইতিমধ্যে ৯৬/৪৫ ভোটে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অস্ত্র আইন কঠোর করার প্রস্তাব পাশ হয়েছে।

হামলার পর প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি বন্ডি বিচে। ফাইল ছবি

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোনি বার্ক জানিয়েছেন, শুধু অস্ত্র কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন কঠোরতর করাই নয়, নয়া বিলে ঘৃণাভাষণ নিয়ে কড়াকড়ির প্রস্তাবও রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে আইন সংস্কারের জন্য পার্লামেন্টে এই ভোটাভুটি, তার খসড়া প্রস্তাবগুলিও জানিয়েছেন মন্ত্রী। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য -

  • আগ্নেয়াস্ত্র আমদানি ও কেনাবেচার ক্ষেত্রে কঠোরতর আইন প্রণয়ন
  • নতুন আগ্নেয়াস্ত্র কেনায় আরও বিধিনিষেধ আরোপ
  • লাইসেন্সড আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যা কমানো
  • আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গোয়েন্দা দপ্তরের সঙ্গে লাগাতার যোগাযোগ রাখা এবং জরুরি তথ্য জানানো
  • ঘৃণাভাষণ নিয়ে আরও কড়া আইন

টোনি বার্কের কথায়, ''গত ১৪ ডিসেম্বর যারা বন্ডি সৈকতে হামলা করেছিল, তাদের মাথা এবং মন ঘৃণায় পরিপূর্ণ আর হাতে ছিল বন্দুক।'' প্রস্তাবিত বিলে এও বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর উপর নজরদারি চলবে এবং ২ বছর পরপর পার্লামেন্টের যৌথ কমিটি তা নিয়ে পর্যালোচনা করবে। এবিষয়ে বিরোধীদের কাছেও ওইসব গোষ্ঠীর তালিকা চাওয়া হয়েছে। লক্ষ্য একটাই, সাধারণ অস্ট্রেলিয়াবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement