নৈশভোজের অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর বন্দুকবাজের হামলার ঘটনায় সাড়া পড়ে গিয়েছে বিশ্বে। উত্তপ্ত এই পরিস্থিতির মাঝেই এবার সম্প্রচার মাধ্যম এবিসি-র সঞ্চালক তথা কৌতুকাভিনেতা জিমি কিমেলের উপর চটলের ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া। ঘটনার দু'দিন আগে ট্রাম্পের স্ত্রী তথা মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন, 'আপনাকে বিধবার মতো লাগছে।' তাঁর মন্তব্যকে নিয়ে শুরু হয়েছে কাটাছেঁড়া।
শনিবার ওয়াশিংটনের যে হোটেলে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে আড়াই হাজার অতিথি আমন্ত্রিত থাকলেও সেই তালিকায় জিমির নাম ছিল না। তবে ঘটনার দু'দিন আগে বৃহস্পতিবার নিজের টিভিশোতে এই ইস্যুতে চটুল রসিকতা করেন জিমি। ট্রাম্পের ওই নৈশভোজের সঞ্চালক হলে তিনি কী করতেন অঙ্গ ভঙ্গিমায় তা দেখাতে শুরু করেন। কীভাবে মেলানিয়া ট্রাম্পকে অভ্যর্থনা জানাবেন তা দেখাতে গিয়ে বলেন, 'মিসেস ট্রাম্প যে আসুন আসুন। আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে, একটু পরেই আপনি বিধবা হবেন।' এর পর নৈশভোজের অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের উপর হামলার চেষ্টার ঘটনায় জিমির উপর তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন ট্রাম্প।
কীভাবে মেলানিয়া ট্রাম্পকে অভ্যর্থনা জানাবেন তা দেখাতে গিয়ে বলেন, 'মিসেস ট্রাম্প যে আসুন আসুন। আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে, একটু পরেই আপনি বিধবা হবেন।'
জিমিকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়ে সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ট্রুথে ট্রাম্প লেখেন, 'ঘৃণ্য মন্তব্য করেছেন কিমেল। উনি হিংসায় উসকানি দিচ্ছেন। আমি সাধারণত ওঁর কথার কোনও উত্তর দেই না। কিন্তু বিষয়টা এবার সীমা ছাড়িয়েছে।' একই সুরে ওই সঞ্চালকের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মেলানিয়া ট্রাম্পও। তিনি লেখেন, 'আমার পরিবার নিয়ে কিমেলের এহেন মন্তব্য আর রসিকতায় সীমাবদ্ধ নেই। বরং বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। আমেরিকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াচ্ছেন ওই ব্যক্তি।'
বিতর্ক মাথাচাড়া দিতেই এই ইস্যুতে মুখ খুলেছেন তিনি। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, 'আমি যে মন্তব্য করেছিলাম তা নিছক রসিকতা ছিল। ট্রাম্পের বয়স ৮০ হতে পারে কিন্তু মানসিকতার দিক থেকে উনি আমার চেয়েও কম বয়সি।' এর সঙ্গেই তিনি বলেন, 'ওই মন্তব্য কোনওভাবেই হত্যার উসকানি ছিল না, ওনারা সেটা ভালো করেই জানেন। বহু বছর ধরেই আমি বন্দুক ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার।'
