shono
Advertisement
Donald Trump

ইরানের গ্যাস ভাণ্ডারে আক্রমণ নয়! আমেরিকা বিপাকে পড়তেই নেতানিয়াহুকে 'নির্দেশ' ট্রাম্পের

ইরানের বৃহত্তম গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। তার পালটা দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসে ভাণ্ডারে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। জোড়া হামলার জেরে বিশ্বজুড়ে দেখা গিয়েছে গ্যাস সংকট।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 08:58 AM Mar 20, 2026Updated: 09:42 AM Mar 20, 2026

ইরানের বৃহত্তম গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। তার পালটা দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসে ভাণ্ডারে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। জোড়া হামলার জেরে বিশ্বজুড়ে দেখা গিয়েছে গ্যাস সংকট। বড়সড় প্রভাব পড়েছে আমেরিকাতেও। এহেন পরিস্থিতিতে ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে কার্যত ধমক দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধক্ষেত্রের 'দোসর'কে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের গ্যাস কেন্দ্রে কোনওভাবেই হামলা করা যাবে না।

Advertisement

বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, গ্যাস ভাণ্ডারে হামলা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। ওভাল অফিসে বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, "আমি ওর সঙ্গে কথা বলেছি। স্পষ্ট জানিয়েছি, শক্তিসম্পদের উপর হামলা করবেন না। উনিও আর হামলা করবেন না।" উল্লেখ্য, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন এই হামলার ব্যাপারে কিছুই জানা ছিল না তাঁর। পরে অবশ্য মার্কিন প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইজরায়েলের হামলা নিয়ে আমেরিকা সবই জানত। কিন্তু এই হামলায় অংশ নেয়নি। ট্রাম্পের কথায়, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর ভালো বোঝাপড়া রয়েছে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কোনও আচরণ যদি তাঁর পছন্দ না হয়, তাহলে আগামী দিনে নেতানিয়াহু সেই কাজটি করবেন না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। তারপর থেকেই বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে তেল এবং গ্যাসের দাম। ধস নামছে আমেরিকা-সহ নানা দেশের বাজারে। সেকারণেই ট্রাম্প চাইছেন, শক্তিসম্পদের উপর যেন আক্রমণ না হয়। আমেরিকার তরফ থেকেও ইরানের তেল বা গ্যাস ভাণ্ডারের উপর হামলা হয়নি। অন্যদিকে ইরানও জানিয়ে দিয়েছে, তাদের শক্তিসম্পদের উপর যদি হামলা হয় তাহলে শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে। সম্ভবত সেই হুঁশিয়ারির পরেই নেতানিয়াহুকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। 

প্রসঙ্গত, বুধবার ইরানের বৃহত্তম গ্যাস উত্তোলন কেন্দ্র সাউথ পার্সে হামলা চালায় ইজরায়েল। হামলার পরেই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, এবার তারা পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তেল এবং গ্যাস উত্তোলনকেন্দ্রগুলিকে নিশানা করে হামলা চালাবে। তারপরেই কাতারের রাস লাফরান শিল্পতালুকে থাকা প্রাকৃতিক গ্যাসের বৃহত্তম ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একে একে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ভাণ্ডারগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ভেঙে পড়বে গোটা বিশ্বের পরিবহন ব্যবস্থা। বিশ্বজুড়ে তৈরি হবে আর্থিক সংকট।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement