ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর গালে ঠাসিয়ে চড় মেরেছিলেন স্ত্রী ব্রিগেট। ভাইরাল হয়েছিল ভিডিওটি। পরে অবশ্য বিষয়টা সামলে নিতে ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, এটা স্রেফ স্বামী-স্ত্রীর খুনসুটি। অবশেষে জানা গেল, আসল কারণ! সদ্য প্রকাশিত একটি বইয়ে এই বিষয়টি সামনে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, মোটেই কোনও খুনসুটির ব্যাপার নয়। ফ্লোরিয়ান টার্ডিফের লেখা 'পারফেক্ট কাপল' বইয়ে দাবি করা হয়েছে, সেই সময় আচমকাই ম্যাক্রোঁর স্ত্রী আবিষ্কার করেন ইরানি অভিনেত্রী গলশিফতের ফারাহানির সঙ্গে দিব্যি চ্যাট করে চলেছেন স্বামী! দেখতে পান, তিনি লিখেছেন 'তুমি বড্ড সুন্দরী!' আর এতেই মেজাজ গরম হয়ে যায় তাঁর।
সেই সময় ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া সফর শুরু করেছেন সস্ত্রীক ম্যাক্রোঁ। বিমান প্রথম অবতরণ করে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে। সেখানেই বিমানের দরজা খুলে নামার সময় এমন অপ্রীতিকর দৃশ্য একেবারে সকলের চোখের সামনে। দেখা যাচ্ছে, দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাক্রোঁর গালে সপাটে এসে পড়ে চড়! স্ত্রীর রণমূর্তি দেখে হতভম্ব হয়ে যান প্রেসিডেন্ট। মুহূর্তের মধ্যে অবশ্য সবটা সামলে বিমান থেকে নেমে আসেন দম্পতি। সেসময় স্ত্রী ব্রিগেটের হাত ধরতে যান ম্যাক্রোঁ। কিন্তু ব্রিজিট দূরত্ব বজায় রেখেই সিঁড়ি দিয়ে নামেন।
ভিডিও ভাইরাল হতেই স্ত্রীর হাতে চড় খাওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন ম্যাক্রোঁ। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমার স্ত্রী আর আমি মৃদু ঝগড়া করছিলাম। বলা ভালো খুনসুটি করছিলাম। কিন্তু সেটা যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে আমি স্তম্ভিত। গোটা ঘটনাটা এবার মহাজাগতিক বিপর্যয়ের সমতুল্য হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে। নানা তত্ত্বও বানাচ্ছেন অনেকে। কিন্তু এই ভিডিওগুলোতে স্রেফ দেখা যাচ্ছে, আমি একটা টিস্যু নিলাম, একজনের সঙ্গে হাত মেলালাম আর স্ত্রীর সঙ্গে খুনসুটি করলাম যেটা আমরা প্রায়শই করে থাকি। এর বাইরে আর কিছুই নয়।” তবে তিনি এমন কথা বললেও ভিন্ন কথা বলছে নতুন বইটি। ফার্স্ট লেডির প্রতিনিধি অবশ্য দাবি করছেন, এই দাবি একেবারেই অসত্য।
