shono
Advertisement
Muammar Gaddafi

নিজের বাড়িতে খুন স্বৈরাচারী গদ্দাফির ছেলে! নেপথ্যে কোন রাজনৈতিক অঙ্ক?

২০১১ সালে প্রয়াত একনায়কের নাম ফের উঠে এসেছে তাঁর পুত্রের মৃত্যুর ঘটনায়।
Published By: Biswadip DeyPosted: 09:13 AM Feb 04, 2026Updated: 09:51 AM Feb 04, 2026

লিবিয়ার প্রাক্তন একনায়ক মুয়াম্মার গদ্দাফির পুত্র ও সেদেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা সইফ আল-ইসলাম গদ্দাফিকে তাঁর বাড়িতে ঢুকে হত্যা করল চার বন্দুকবাজ। সইফের অফিসের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। ৫৩ বছরের সইফকে একসময় সেদেশের ভাবী শাসক মনে করা হত।

Advertisement

গদ্দাফির কন্যা ও সইফের বোন দাবি করেছেন, লিবিয়ার আলজেরিয়া সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় মৃত্যু হয়েছে সইফের। তবে আততায়ী কারা, কী কারণে এই হত্যা সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কেউই মুখ খোলেনি।

স্বৈরাচারী শাসক গদ্দাফির মৃত্যুতে প্রায় কয়েক দশকের একনায়কতন্ত্রের অবসান হয়েছিল লিবিয়ায়। শোনা যায়, নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল রাষ্ট্রনেতাকে। গদ্দাফির দেহ গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল বিদ্রোহীরা। ২০১১ সালে প্রয়াত সেই রাষ্ট্রনায়কের নাম ফের উঠে এসেছে তাঁর পুত্রের মৃত্যুর ঘটনায়। মনে করা হচ্ছে, যদিও সইফ কোনও রাজনৈতিক পদেই ছিলেন না। তবুও তেলসমৃদ্ধ উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক মুখ্য নেতা ছিলেন তিনিই। বিরোধীদের চাপে ফেলতে অন্য কোনও জোট গঠন করার ক্ষমতা ছিল তাঁর। সেই কারণেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল কিনা সেই প্রশ্ন উঠছে।

১৯৭২ সালে জন্ম সইফের। তিনি মুয়াম্মার গদ্দাফির দ্বিতীয় সন্তান। তাঁকেই 'ডি ফ্যাক্টো' অর্থাৎ লিবিয়ার পরবর্তী শাসক মনে করা হত একসময়। তবে সইফ গদ্দাফি সরকারের সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। ২০১১ সালের গণ অভ্যুত্থানের সময় পতন হয় গদ্দাফির। সেই সময় দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন সইফ। কিন্তু তিনি ধরা পড়ে যান এবং কারাবন্দি হন। পরে অবশ্য মুক্তিও পেয়েছিলেন। থাকছিলেন নিজের বাড়িতেই। কিন্তু এবার আততায়ীদের হামলায় প্রয়াত হলেন স্বৈরাচারী বাবার পুত্র সইফ। এই মৃত্যুর পিছনে সত্যিই বিরোধীদের চক্রান্ত আছে কি না সেটাই এখন চর্চার বিষয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement