আন্তর্জাতিক মঞ্চে নানা সম্মেলনে গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রনেতাদের আলোচনার পাশাপাশি কিন্তু নজর থাকে তাঁদের ফ্যাশনের দিকে। কে কোন পোশাকে চমক দিলেন, কার হাবভাব অদ্ভুত, সেসব নিয়েও বেশ চর্চা চলে। সেভাবেই দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে আসা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে নিয়েও তেমনই চলল। ঘরের ভিতরেও তিনি নীলচে রোদচশমায় চোখ ঢেকে রেখেছিলেন! তা দেখেই শুরু হয় ফিসফাস। কিন্তু সত্যিটা প্রকাশ হতেই হাসাহাসি, ফিসফাস উধাও! ম্যাক্রোঁর চোখে সমস্যা হওয়ায় তিনি এভাবে চোখে ঢেকেছেন।
দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে আসা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ঘরের ভিতরেও নীলচে রোদচশমায় চোখ ঢেকে রেখেছিলেন! তা দেখেই শুরু হয় ফিসফাস। কিন্তু সত্যিটা প্রকাশ হতেই হাসাহাসি, ফিসফাস উধাও! ম্যাক্রোঁর চোখে সমস্যা হওয়ায় তিনি এভাবে চোখে ঢেকেছেন।
প্রতি বছরের মতো এবারও দাভোসে বসেছে বিশ্ব আর্থিক সংস্থার সম্মেলন। তাতে যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। মঙ্গলবার দাভোসের মঞ্চে বক্তব্য রেখেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সাদা-নীল মানানসই স্যুট, টাইয়ে সুদর্শন ম্যাক্রোঁর মঞ্চে উঠতেই সকলে অবাক। ঘরের মধ্যেও তাঁর চোখে নীল রোদচশমা কেন? এনিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। সম্মেলনে যোগ দেওয়া প্রতিনিধিদের এই ঔৎসুক্য ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন ম্যাক্রোঁ। যদিও এনিয়ে প্রকাশ্যে কিছুই বলেননি তিনি। পরে তথ্যতালাশ করতে গিয়ে তাঁর এই নীল রোদচশমা পরে থাকার আসল কারণ জানা যায়।
চেয়ারে বসে থাকার সময়ও চোখে সানগ্লাস ম্যাক্রোঁর।
গত সপ্তাহে ফ্রান্সে সেনার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। তখনই তাঁর এই নীল অ্যাভিয়েটর সানগ্লাসটি দেখা যায়। ম্যাক্রোঁর চোখ ছিল লাল। একসময়ে নিজেই তা নিয়ে মুখ খোলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। মজা করে ম্যাক্রোঁ বলেন, ''এটা বাঘের চোখের মতো। এখানে এমন বেমানান রোদচশমা পরে আসায় আমি ক্ষমাপ্রার্থী।'' পরে আরও জানা যায়, ম্যাক্রোঁর চোখে 'সাব-কনজাংটিভাল হেমারেজ' অর্থাৎ ভাইরাসজনিত কোনও সংক্রমণ হয়েছে। তাতে চোখের শিরাও ক্ষতিগ্রস্ত। যদিও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চোখের এই সমস্যা একেবারেই অস্থায়ী। এতে বড় কোনও ক্ষতির আশঙ্কা নেই। যন্ত্রণাও হয় না। শুধুমাত্র দৃষ্টিতে সাময়িক সমস্যা হয়। ১৫ দিনের মধ্যে তা সেরেও যায়।
