সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরল নজির পাকিস্তানে, মন্দিরে পুজো দিলেন ভারত-সহ ৫ দেশের হিন্দুরা

11:13 AM Jan 02, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বদলাচ্ছে পাকিস্তান (Pakistan)! হিন্দু মন্দির (Hindu Temple) গুড়িয়ে দিয়েছিল মৌলবাদীরা। এক বছরের মধ্যে বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ করে ১০০ বছর প্রাচীন মন্দির পুনর্নির্মাণ করল ইমরান খানের (Imran Khan) সরকার। শুধু সারিয়ে তোলা নয়, বছরের শুরুতেই ভারত-আমেরিকা-সৌদি আরবের অন্তত এক হাজার পুন্যার্থী প্রার্থনা করলেন সেই মন্দিরে। ভিন দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে পাক সরকার।

Advertisement

খাইবার পাখুতুনখোয়া প্রদেশের করক জেলার টেরি গ্রামে মহারাজ পরমহংসজির শতাব্দী প্রাচীন মন্দির রয়েছে। ১৯৯৭ সালে মন্দির গুড়িয়ে দিয়েছিল মৌলবাদীরা। সেখানে রয়েছে মহারাজ পরমহংসজির সমাধিও। ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর সমাধিতে হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। অভিযোগ, জামায়েত উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ভেঙে ফেলা হয় সেই সমাধিও। এ নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছিল। প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা খরচ করে গত এক বছরে সমাধিস্থল পুনর্নির্মাণ কররে ইমরান সরকার।

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1630720090-3');});

[আরও পড়ুন: চেনাই দায়! প্রবল খাদ্যসংকটের মুখে উত্তর কোরিয়া, আরও রোগা হলেন কিম জং উন]

শনিবার থেকে সেই মন্দিরেই শুরু হয়েছে উপাসনা। ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলবে রবিবার দুপুর পর্যন্ত। ভারত, আমেরিকা, সৌদি আরবের হিন্দুদের এই ধর্মীয় উপাচারে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানে হাজির হয়েছেন ভারতের ২০০, দুবাইয়ের ১৫-সহ অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা। তাঁদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে পাক সরকার। সুরক্ষার দায়িত্ব রয়েছেন ৬০০ পাক রেঞ্জার্স, গোয়েন্দারা। পুলিশের তরফেও উচ্চ পদস্থ কর্তারা সেখানে হাজির রয়েছেন বলে খবর।

Advertising
Advertising

শনিবার ওয়াঘা সীমান্ত পেরিয়ে হিন্দু কাউন্সিল আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতীয়রা। সীমান্ত থেকে তাঁদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মন্দির পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি পুন্যার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, আন্তর্জাতিক মহলে ‘হিন্দু বিদ্বেষী’ তকমা মুছতে মরিয়া পাকিস্তান। আর তাই এহেন আয়োজন ইমরান সরকারের।

[আরও পড়ুন: নতুন বছরেই অতিমারীর কবল থেকে মুক্তি মিলতে পারে, আশাবাদী WHO প্রধান]

Advertisement
Next