মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! ইজরায়েল-আমেরিকার (US-Israel) যৌথ হামলার পরেই পালটা কুয়েত, বাহারিন, আরব আমিরশাহীর মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালাল ইরান। খামেনেইর সেনার তরফে এক বার্তায় বলা হয়েছে, 'এসে গিয়েছে দেশ বাঁচানোর সময়'। এদিকে আমিরশাহীর তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে তারা।
মধ্য়প্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধের (War) মেঘ ঘনাতেই কুয়েতের বেসক্যাম্প থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নিয়েছিল আমেরিকা। যুদ্ধ বাঁধতেই ঠিক সেখানেই হামলা চালাল ইরান (Iran)। জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবুধাবি ও দুবাই, কাতারের দোহা এবং সৌদি আরবের রিয়াধে হামলা হয়েছে। এদিকে আমেরিকা-ইজরায়েলের অপারেশেন 'সিংহগর্জনে' (Lion Roar) ইরানি সেনার বেশ কয়েক জন কমান্ডার এবং আধিকারিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। যদিও সঠিক সংখ্যা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। এদিকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্রের আনাগোনায় বেসামরিক বিমান চলাচল বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় একে একে আকাশসীমা বন্ধ করছে ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলি। বিপদ এড়াতে কাতার এয়ারওয়েস ইতিমধ্যে বিমান চলাচল বন্ধ করেছে বলে খবর।
শনিবারই একটি ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প বলেছেন, “ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকে শায়েস্তা করে আমেরিকার জনগণকে সুরক্ষিত করাই আমাদের কাজ।” যোগ করেন, “আমরা ওদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে যাচ্ছি। ওদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারকে মাটিতে মিশিয়ে দিতে চলেছি। ওদের নৌবাহিনীকেও ধ্বংস করতে যাচ্ছি।” ইরানের সেনার প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি, “হয় আত্মসমর্পণ করুন অথবা নিশ্চিত মৃত্যু।” আরও বলেন, “একটি জঙ্গিরাষ্ট্রের হাতে কোনও ভাবেই পরমাণু অস্ত্র থাকতে পারে না।” মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সাধারণ মানুষের প্রতি ট্রাম্পের বার্তা, “আপনাদের স্বাধীনতার সময় এসে গিয়েছে।”
অন্যদিকে বেঞ্জামিন নেতনিয়াহুর সাফ কথা, ইরানের জঙ্গি শাসকদের সরাতেই অপারেশেন 'সিংহগর্জন'। আমেরিকা, ইজরায়েলের মতো দেশগুলির পাশাপাশি ইরানের সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতেই খামেনেই জমানার অবসান ঘটানো হবে।
