রাষ্ট্রের যুদ্ধে বেঘোরে প্রাণ যায় সাধারণ মানুষের। রক্ষে নেই নিষ্পাপ শিশুরও। আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলায় ইরানে (Israeli-US strikes On Iran) মৃত্যু হল অন্তত ৪০ জন নাবালিকা পড়ুয়ার। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ-র দাবি, স্কুল চলাকালীন যৌথ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংস হয়েছে মিনাবের একটি 'গার্লস স্কুল'। এর ফলেই বেঘোরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪০ জন ছাত্রীর। স্কুল-হাসপাতালের মতো ভবনে হামলার ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে আমেরিকা-ইজরায়েলের বেপরোয়া যুদ্ধনীতি নিয়ে।
আইআরএনএ জানিয়েছে, হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে হামলা চালায় ইরান-আমেরিকার যৌথ বাহিনী। এখানেই রয়েছে ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কপের (আইআরজিসি) ঘাঁটি। মনে করা হচ্ছে, সেই লক্ষ্যেই হামলা হয়েছিল মিনাবে। যদিও পার্শবর্তী স্কুলটিও ক্ষেপণাস্ত্রে চুরমার হয়ে যায়। তাতেই মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৪০ জন ছাত্রীর। আরও ৪০ জন জখম হয়েছে বলে খবর।
অপারেশন ‘সিংহগর্জনে’ থেকে থেকে কেঁপে উঠছে ইরান। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানে ধীরে ধীরে সামনে আসছে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি। আগেই সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল, ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানি সেনার বেশ কয়েক জন কমান্ডার এবং আধিকারিকের। শেষ খবরে জানা গিয়েছে, নিহত হয়েছেন খামেনেইর শীর্ষ কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌর। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবুধাবি ও দুবাই, কাতারের দোহা এবং সৌদি আরবের রিয়াধে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান। এর জেরে দোহায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
উল্লেখ্য, এদিন সকালে তেহরানে খামেনেইর দপ্তরে হামলা চালায় আমেরিকা-ইজরায়েল। যার ফলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় ওই ভবনটির অনেকাংশ। যদিও ৮৬ বছরের খামেনেইকে আগেভাগেই তেহরান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এবং বর্তমানে তিনি শহর থেকে দূরে ইরানের কোন গোপন বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন বলে খবর। তবে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানে মৃত্যু হয়েছে ইরানি সেনার বেশ কয়েক জন কমান্ডার এবং আধিকারিকের। তাঁদের অন্যতম মহম্মদ পাকপৌর।
