হরমুজ প্রণালীতে আবারও ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ? সোমবার আচমকা খবর ছড়ায়, হরমুজে মোতায়েন মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আঘাত হেনেছে ইরান। জোড়া মিসাইল আছড়ে পড়ে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে। ইরানের হামলার এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক বাজারে হুহু করে বেড়ে যায় তেলের দাম। তবে আমেরিকার তরফ থেকে এই খবর সঙ্গে সঙ্গে অস্বীকার করা হয়েছে।
রবিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। জানানো হয়, হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া জাহাজগুলি সরিয়ে ফেলতে এই প্রকল্প শুরু করেছে আমেরিকা। সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে এই অভিযানের কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ইরান যুদ্ধের কারণে নিরপেক্ষ ও নিরীহ দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের বহু জাহাজ হরমুজে আটকে রয়েছে। আমরা তাদের সাহায্য করব। নিরাপদে তাদের হরমুজ পার করাবো।”
সূত্রের খবর, সোমবার সকাল থেকেই এই অভিযান শুরু হয়েছে। কিন্তু তারপরেই খবর ছড়ায়, হরমুজে মোতায়েন মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আক্রমণ শানিয়েছে ইরান। জোড়া মিসাইল আছড়ে পড়েছে মার্কিন নৌসেনার জাহাজে। ইরানের জাতীয় মিডিয়ার তরফ থেকে জানানো হয়, হরমুজে প্রবেশের ঠিক মুখেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আক্রমণ শানানো হয়েছে। তবে এই আক্রমণের উদ্দেশ্য স্রেফ হুঁশিয়ারি দেওয়া, যেন মার্কিন বা ইজরায়েলি জাহাজ হরমুজে প্রবেশ না করে।
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার খবর ছড়াতেই হুহু করে অশোধিত তেলের দাম বেড়ে যায়। ব্যারেলপ্রতি ১১৩ ডলারে পৌঁছে যায় তেলের দাম। তারপরই মার্কিন সেনার তরফ থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়, 'মার্কিন নৌসেনার কোনও জাহাজ আক্রান্ত হয়নি। পূর্ব ঘোষণামতোই হরমুজ প্রণালীতে প্রজেক্ট ফ্রিডম চলছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের তত্ত্বাবধানে।' আদৌ কি মার্কিন জাহাজে হামলা করেছে ইরান? প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ।
