shono
Advertisement

Breaking News

Israel

৯০ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর! প্যালেস্তিনীয়দের বিরুদ্ধে আইন পাশ ইজরায়েলের

প্যালেস্তিনীয়দের বিরুদ্ধে এবার কড়া আইন পাশ করল ইজরায়েল পার্লামেন্ট। নয়া আইনের জেরে এখন থেকে কোনও প্যালেস্তিনীয় যদি ইহুদি নাগরিকের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালালে শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 12:43 PM Apr 01, 2026Updated: 01:50 PM Apr 01, 2026

প্যালেস্তিনীয়দের (Palestine) বিরুদ্ধে এবার কড়া আইন পাশ করল ইজরায়েল (Israel) পার্লামেন্ট। নয়া আইনের জেরে এখন থেকে কোনও প্যালেস্তিনীয় যদি ইহুদি নাগরিকের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালালে শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তাঁর ডানপন্থী সহযোগীদের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সোমবার পাশ করা হয়েছে আইনটি। শুধু তাই নয়, কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে ৯০ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে মৃত্যুদণ্ড। ইজরায়েলের নয়া এই আইনের নিন্দায় সরব হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।

Advertisement

সোমবার ইজরায়েলের পার্লামেন্টে যে আইন পাশ করা হয় সেখানে বলা হয়েছে, ইজরায়েল অধিকৃত ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে যদি কোনও প্যালেস্তিনীয় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে বা ইহুদিদের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। এবং এই অপরাধের জন্য মিলিটারি কোর্টে যদি দোষী সাব্যস্ত হয়, সেক্ষেত্রে ওই অপরাধীর শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। শাস্তির অপেক্ষায় থাকা প্যালেস্তিনীয়কে সম্পূর্ণ আলাদা কক্ষে রাখা হবে। সেখানে কর্তৃপক্ষের লোকজন ছাড়া আর কারও যাওয়ার অনুমতি থাকবে না। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া চলবে ভার্চুয়ালি। এবং সাজা ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে কার্যকর করা হবে মৃত্যুদণ্ড। বলা হয়েছে, ইলেক্ট্রিক চেয়ারের পাশাপাশি ফাঁসির মাধ্যমেও কার্যকর হতে পারে এই মৃত্যুদণ্ড।

শেষবার ইজরায়েলে মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল ১৯৬২ সালে। সেবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ন্যাৎসি বাহিনীর অ্যাডলফ আইখম্যানকে।

উল্লেখ্য, ইজরায়েলে বিরল থেকে বিরলতম অপরাধ ছাড়া সাধারণত মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি হয় না। শেষবার ইজরায়েলে মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল ১৯৬২ সালে। সেবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ন্যাৎসি বাহিনীর অ্যাডলফ আইখম্যানকে। এবার প্যালেস্তিনীয়দের জন্য মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির আইন চালু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, প্যালেস্টাইনের গাজাকে কার্যত ধ্বংস করার পর এবার সেখানকার নাগরিকদের বিরুদ্ধে এই আইনের যথেচ্ছ অপব্যবহার হতে পারে।

এই আইনের বিরোধিতায় সরব হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। মঙ্গলবার ইইউ-এর মুখপাত্র এই আইনকে 'বৈষম্যমূলক' ও 'উদ্বেগজনক' বলে আখ্যা দিয়েছেন। বলা হয়েছে, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও গণতন্ত্রের নৈতিকতার বিরোধী।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement