এবার ইরান যুদ্ধে নামছে ব্রিটেন! ৩৫টি দেশকে সঙ্গে নিয়ে ‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালী মুক্ত করার ঘোষণা করলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই ৩৫টি দেশ এই সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই দেশগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং নেদারল্যান্ডস।
বুধবার স্টারমার বলেন, “হরমুজ মুক্ত করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করব। শীঘ্রই আমাদের একটি বৈঠক হবে। সেখানে বিভিন্ন কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করার চিন্তাভাবনা করছি।” তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, হরমুজে যাতে আগের মতোই নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে। হরমুজে আটকে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। যত দ্রুত সম্ভব অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হরমুজ দিয়ে যাতে পরিবাহিত হতে পারে, তা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।” বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টারমারের এই সিদ্ধান্তের অর্থ ইরান যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়া। আর যদি তা-ই হয়, তাহলে তেহরানের কী পদক্ষেপ দেবে, সেটাই দেখার।
প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধে আমেরিকার পাশে দাঁড়ানোয় মঙ্গলবারই ব্রিটেনকে তুলোধোনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে তিনি লেখেন, ‘ইরানের শিরচ্ছেদ করতে যে সমস্ত দেশ আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি তারা হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পেরিয়ে নিজেদের তেল নিয়ে আসুন। অথবা আমেরিকার থেকে কিনুন।’ ‘বন্ধু’ দেশগুলির প্রতি হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, ‘আপনারা নিজেরা লড়াই করতে শিখুন। এবিষয়ে আমেরিকা আর আপনাদের সাহায্য করবে না।’ ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হরমুজ মুক্ত করার ঘোষণা করল ব্রিটেন। এর নেপথ্যে কি রয়েছে মার্কিন চাপ? উঠছে প্রশ্ন।
