অপারেশন সিঁদুরে খতম হয়েছিল জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজাহারের পরিবারের একাধিক সদস্য। এবার খতম জইশের অন্যতম শীর্ষ নেতা মাসুদের ভাই মহম্মদ তাহির আনোয়ার। সম্প্রতি ভারতশত্রু এই জঙ্গির মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে। যদিও তার মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট করা হয়নি।
পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, সোমবার রাতে বাহাওয়ালপুরে জামিয়া মসজিদ উসমান ওয়ালিতে জঙ্গি তাহিরের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। যদিও কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাহির অসুস্থ ছিল, নাকি কেউ বা কারা তাকে খুন করেছে সে বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি। এমনকী পাকিস্তান সরকারের তরফেও এই বিষয়ে কোনও বিবৃতি সামনে আসেনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তার মৃত্যু নিয়ে ইসলামাদের জলঘোলা হতে শুরু করেছে। অনুমান করা হচ্ছে, কোনও অজ্ঞাত হামলায় মৃত্যু হয়েছে এই জঙ্গির। শেষকৃত্যের পর এই জঙ্গি সংগঠনের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে তাহিরের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়।
সোমবার রাতে বাহাওয়ালপুরে জামিয়া মসজিদ উসমান ওয়ালিতে জঙ্গি তাহিরের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। যদিও কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
গত কয়েক দশক ধরে ভারতের অন্যতম মাথাব্যাথা পাকিস্তানের জইশ জঙ্গি সংগঠন। ২০০১ সালে সংসদ হামলা, ২০১৬ সালে পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা ও উরি হামলা, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা জঙ্গি হামলা ৪০ সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুর নেপথ্যে ছিল এই সন্ত্রাসীরা। ভারতের হিট লিস্টে থাকা এই জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিল মাসুদের ভাই মহম্মদ তাহির আনোয়ার। তার মৃত্যু নিশ্চিতভাবে ভারতের জন্য স্বস্তির।
উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার বদলা নিতে পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর শুরু করেছিল ভারত। অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিকে নিশানা করা হয় সেনার তরফে। নিশানায় ছিল বাহাওয়ালপুরে জইশের সদর দপ্তরও। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বাহাওয়ালপুরের জামিয়া মসজিদ সুবহান আল্লাহ। ভয়ংকর সেই হামলায় মৃত্যু হয়েছিল আজহারের বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয়দের। তালিকায় ছিল মাসুদ আজহারের বোন, তার স্বামী, ভাইপো-ভাইঝি-সহ পরিবারের প্রায় ১০ জন আত্মীয়ের।
