হিন্দু মন্দির ভাঙচুর, ছেঁড়া গেরুয়া পতাকা, ইংল্যান্ডের শান্তিপূর্ণ শহরে তাণ্ডব মুসলিম জেহাদিদের

05:40 PM Sep 19, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের নজিরবিহীন ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল ইংল্যান্ডের শান্তিপ্রিয় শহর লিসেস্টার (Leicester)। হিন্দু মন্দির ভাঙচুর, গেরুয়া পতাকা ছেঁড়ার মতো ঘটনা ঘিরে অশান্তি ছড়াল। পুলিশ জানাচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে ইসলামিক (Islamists) জেহাদিরা। এমনকী ওই এলাকার হিন্দু পরিবারগুলির বাচ্চাদের পণবন্দি করে রাখারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তাতে ব্যর্থ হয়ে এলাকার বাড়িগুলিতে ভাঙচুর চালায় তারা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Advertisement

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782001027-0'); });

গত মাসে এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান (India-Pakistan) ম্যাচের পরই এই হামলা সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব ইংল্যান্ডের শান্তিপূর্ণ শহর লিসেস্টারে আচমকাই উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকায় হিন্দু মন্দিরের (Hindu Temple) উপর চলে হামলা, আক্রান্ত হয় হিন্দু পরিবারগুলিও। পুলিশ সূ্ত্রে খবর, একদল উন্মত্ত জনতা এখানকার বাসিন্দাদের পণবন্দি করে রাখার চেষ্টা করেছিল। তাতে ব্যর্থ হয়। তারপরই সরাসরি হামলা চালিয়ে মন্দির এবং অন্যান্য সম্পত্তি ভাঙচুর করা হয়। মনে করা হচ্ছে, এটি ইসলামিক জেহাদিদের ‘টার্গেট অ্যাটাক’।

window.unibots = window.unibots || { cmd: [] }; unibots.cmd.push(()=>{ unibotsPlayer('sangbadpratidin'); });

[আরও পড়ুন: নজরে চিন-পাকিস্তান, যুদ্ধে বাজিমাত করতে ‘প্রোজেক্ট চিতা’ শুরু করছে ভারতীয় ফৌজ]

শনিবার সন্ধে থেকে অশান্তি আরও বাড়তে থাকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবার ভোর পর্যন্ত পরিস্থিতি খানিকটা উদ্বেগজনক ছিল। লিসেস্টর পুলিশের বক্তব্য, হিন্দু মন্দিরে হামলার প্রতিবাদে শনিবার থেকে অপরিকল্পিত বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন একদল বাসিন্দা। তাঁদের দাবি, দোষী মুসলিম জেহাদিদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতেই হবে।

Advertising
Advertising

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782050143-0'); });

[আরও পড়ুন: ইরানে ‘নীতি পুলিশ’ বিরোধী বিক্ষোভ, তরুণীর মৃত্যুতে হিজাব পোড়ালেন, চুল কাটলেন মহিলারা]

পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার ও রবিবার ভোরে ইস্ট লিসেস্টারের একটা অংশ নজিরবিহীন অশান্তির সাক্ষী রইল। অপরিকল্পিত বিক্ষোভে দেখে সকলেই রাস্তায় নেমে আসেন। তাতেই অশান্তি ছড়িয়েছে। আমাদের অফিসাররা আইন মেনে তাঁদের শান্ত করে ঘরে পাঠানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যেতে থাকে।” পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ২৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হবে। মনে করা হচ্ছে, হামলাকারীরা সকলে পাকিস্তানি জেহাদি।

Advertisement
Next