Advertisement

আসিয়ান বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন মায়ানমারের সেনাশাসক মিন আউং হ্লাইং

11:04 AM Apr 19, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল মায়ানমার। প্রতিবাদ থামাতে নিরাপত্তারক্ষীদের চালানো গুলিতে এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭০০ জন সাধারণ নাগরিকের। ফলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন দেশটির সেনাশাসকরা। এহেন পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিকে নিয়ে আয়োজিত আসিয়ান বৈঠকে যোগ দিতে চলেছেন মায়ানমারের সেনাপ্রধান তথা জুন্টা শীর্ষ নেতা মিন আউং হ্লাইং।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

[আরও পড়ুন: ফের বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত মার্কিন মুলুক, টেক্সাসে মৃত অন্তত ৩]

গত ফেব্রুয়ারি মাসে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে মায়ানমারের (Myanmar) রাশ নিজের হাতে নিয়ে নেয় টাটমাদাও বা বার্মিজ সেনা। কাউন্সিলর আং সান সু কি-সহ আটক করা হয় নির্বাচিত সরকারের শীর্ষ পদাধিকারীদের। এর পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। গণতন্ত্র ফেরানোর ডাক দিয়ে রাস্তায় নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। পালটা অভিযান শুরু করেছে সেনাবাহিনী। এপর্যন্ত ফৌজের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০জন গণতন্ত্রকামী। এহেন পরিস্থিতিতে দেশটিতে গণতন্ত্র ফেরানোর ডাক দিয়েছে আমেরিকা, ভারত-সহ একাধিক দেশ। ফলে লাগাতার চাপ বাড়ছে জুন্টার উপর। এহেন পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিকে নিয়ে আয়োজিত আসিয়ান (ASEAN) বৈঠকে যোগ দিতে চলেছেন মায়ানমারের সেনাপ্রধান তথা জুন্টা শীর্ষ নেতা মিন আউং হ্লাইং বলে জানিয়েছে থাইল্যান্ড। সেনা অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম বিদেশ সফর হ্লাইংয়ের। তবে জুন্টা সরকার এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও কিছু জানায়নি। ২৪ এপ্রিল থেকে শুরু ১০ দেশের বৈঠকে মায়ানমারের ‘সঙ্কট’ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৌদ্ধ নববর্ষ উপলক্ষে ২৩ হাজার বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে জুন্টা। মায়ানমারের বেশ কয়েকটি কারাগার থেকে বন্দিদের মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ইয়াঙ্গনের ইনসেইন জেল থেকে অন্তত ৮০০ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়া নতুন কিছু নয়। প্রতিবছর থিংগ্যান বা বৌদ্ধ নববর্ষ উপলক্ষে কিছু সংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয় মায়ানমারে। কিন্তু সেনাশাসনে তযমুল বিক্ষোভের মাঝেও সেই প্রথা পালন করা নিয়ে সন্দেহ ছিল। যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যাদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে তারা মূলত চুনোপুঁটি। আসলে গণতন্ত্রকামীদের বন্দি করার উদ্দেশেই কারাগারে জায়গা বানাচ্ছে জুন্টা।

[আরও পড়ুন: নিয়ন্ত্রণে করোনা, গোটা বিশ্বের উলটোপথে হেঁটে মাস্ক পরার নিয়ম শিথিল ইজরায়েলের]

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next