shono
Advertisement
Pakistan

গদর বন্দরের বিনিময়ে পরমাণু সাবমেরিন, চিনকে ব্ল্যাকমেল পাকিস্তানের! ফাঁস মুনিরের ষড়যন্ত্র

গদর বন্দরকে 'কুমিরের ছানা'র মতো ব্যবহার করে চিনের থেকে সেকেন্ড স্ট্রাইকের ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক সাবমেরিনের দাবি জানিয়েছিল পাকিস্তান। বিনিময়ে চিনকে গদর বন্দর ব্যবহার ও সেখানে সেনা ঘাঁটি তৈরির অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:48 PM May 18, 2026Updated: 05:07 PM May 18, 2026

অপারেশন সিঁদুরের পর নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াতে কোমর বেঁধে নেমেছে পাকিস্তান। আর সেই লক্ষ্যে চিনের থেকে ভরপুর ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেন পাক সেনা প্রধান আসিম মুনির। গদর বন্দরকে 'কুমিরের ছানা'র মতো ব্যবহার করে চিনের থেকে সেকেন্ড স্ট্রাইকের ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক সাবমেরিনের দাবি জানিয়েছিল পাকিস্তান। বিনিময়ে চিনকে গদর বন্দর ব্যবহার ও সেখানে সেনা ঘাঁটি তৈরির অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়। সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে মার্কিন স্বাধীন সংবাদমাধ্যম 'ড্রপ সাইট নিউজ'। পাকিস্তানের সামরিক নথি পর্যালোচনার পরই চাঞ্চল্যকর এই দাবি করেছে ওই সংস্থা।

Advertisement

ব্ল্যাকমেল নীতিতেই বরাবর নিজেদের সামরিক চাহিদা মিটিয়ে এসেছে পাকিস্তান। রিপোর্ট বলছে, সেই ধারা অব্যাহত রেখে ২০২৪ সালে চিনের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই প্রস্তাব দেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। বেজিংকে আশ্বাস দেওয়া হয় গদর বন্দরে চিন সেনাকে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি তৈরির অনুমতি দেওয়া হবে। এর কয়েকমাস পর পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়, গদর বন্দরের বিনিময়ে চিনকে দিতে হবে পারমাণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম সাবমেরিন। এই অস্ত্র পেলে আকাশ, ভূমি এবং সমুদ্র তিন জায়গা থেকেই পারমাণবিক শক্তিধর হত পাকিস্তান। তবে শেষ পর্যন্ত চিন পাকিস্তানের এই দাবি মানেনি। মুনিরের আর্জি পুরোপুরি অযৌক্তিক বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়।

এই অস্ত্র পেলে আকাশ, ভূমি এবং সমুদ্র তিন জায়গা থেকেই পারমাণবিক শক্তিধর হত পাকিস্তান। তবে শেষ পর্যন্ত চিন পাকিস্তানের এই দাবি মানেনি। 

জানা যাচ্ছে, ওই মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রথম এই খবর সামনে আসে ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর। এরপর গত ১৮ মে পরবর্তী প্রতিবেদনে পাকিস্তনের বেতার বার্তার অত্যন্ত গোপনীয় উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়েছে। এখানেই জানা যায়, বাইডেন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্তা ইমরান খানকে পদ থেকে অপসারণের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। এই সময়েই চিনের সঙ্গে কৌশলগত অস্ত্রবাহী রণতরী নিয়েও আলোচনা চলছিল। এরপর গদর বন্দরের বিনিময়ে তা ব্ল্যাকমেলের পর্যায়ে যায়।

উল্লেখ্য, চিন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে পাকিস্তানে তৈরি হয়েছে 'চিন-পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডোর'। যা অধিকৃত কাশ্মীর হয়ে পৌঁছচ্ছে গদর বন্দর পর্যন্ত। বিরাট এই বাণিজ্যপথ নির্মাণের পরই গদর বন্দর নিয়ে চিনের উপর চাপ বাড়াতে শুরু করে পাকিস্তান। মুনিরের তরফে যে অত্যাধুনিক সেকেন্ড স্ট্রাইকের ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক সাবমেরিনের দাবি জানানো হয়েছিল। তার কাজ হল, শত্রু যদি প্রথম আঘাতেই সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করে দেয়, তারপরও পাল্টা আক্রমণ চালানোর শক্তি অবশিষ্ট থাকবে। যার অর্থ, ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (এসএসবিএন) সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থেকে শত্রুর আক্রমণ এড়াতে পারে এবং পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement