সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেখতে দেখতে তিন বছর পেরিয়ে গিয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের। এখনও নিষ্পত্তি হয়নি সেই সংঘর্ষের। এই পরিস্থিতিতে গত কয়েক বছরের তুলনায় রুশ সেনায় অনেক বেশি সংখ্যক সেনা অন্তর্ভুক্তির কথা জানা যাচ্ছে। এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, গত মঙ্গলবার থেকে এই অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। চলবে ১৫ জুলাই পর্যন্ত। এর ফলে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যবর্তী বয়সি ১ লক্ষ ৬০ হাজার সেনা অন্তর্ভুক্ত হবে রুশ সেনায়। আর এখানেই উঠছে অভিযোগ। জোর করে নাকি সেনায় লোকসংখ্যা বাড়াচ্ছে পুতিন প্রশাসন। তিন বছর আগে যেখানে ১০ লক্ষ সেনা ছিল রুশ সেনাবাহিনীতে, সেখানে এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৫ লক্ষ।
গত বছরের তুলনায় এবার নিয়োগ করা হচ্ছে সংখ্যায় হাজার দশেক বেশি রুশ তরুণ। তিন বছর আগের তুলনায় তা ১৫ হাজার বেশি। কিন্তু রুশ আইনে বলা আছে, এভাবে যথাযথ প্রশিক্ষণ না দিয়ে কাউকে রণাঙ্গনে পাঠানো যাবে না। সরকারি ভাবেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রে ওই সেনাদের পাঠানো হচ্ছে না। কিন্তু গুঞ্জন রয়েছে, এই দাবি ঠিক নয়। রীতিমতো জোর করে চুক্তিতে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখন অন্য মাত্রা নিয়েছে। যুদ্ধে প্রাথমিক ভাবে মনে হয়েছিল রাশিয়া সহজেই জিতবে। কিন্তু পশ্চিমী বিশ্বের সহায়তায় দ্রুত প্রত্যাঘাত করতে শুরু করেছিল ইউক্রেন। এরপর কিয়েভের সেনা প্রবেশ করে রাশিয়ার কার্স্ক অঞ্চলে। পরবর্তী সময়ে উত্তর কোরিয়ার সেনার সাহায্যে রাশিয়া ইউক্রেনীয় সেনাকে প্রতিহত করতে শুরু করে। তারা ক্রমশ পিছু হটছে বলেই খবর। যদিও আমেরিকা চেষ্টা করছে দ্রুত যুদ্ধে দাঁড়ি টানতে। কিন্তু এখনও যুদ্ধ অব্যাহত। আর এই পরিস্থিতিতে জানা গেল পুতিনের উদ্দেশ্যের কথা।