দড়ি বা অন্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই বিপজ্জনক আরোহণে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। এই কারণেই তাঁকে বলা হত ইয়েমেনের ‘স্পাইডার-ম্যান’। শেষ পর্যন্ত মাত্রাতিরিক্ত ঝুঁকি নিতে গিয়েই মর্মান্তিক মৃত্যু হল আল-কাকা বিন আনতারের। কোনওরকম সুরক্ষা ছাড়াই আগ্নেয়গিরির গা বেয়ে ওঠার সময় হাত ফসকে জ্বালামুখে পড়ে যান তিনি। বাস্তবের স্পাইডার ম্যানের শেষ মুহূর্তের হাড়হিম ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
একাধিক স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভয়ংকর দুর্ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার। ৩০ বছর বয়সি কাকা দক্ষিণাঞ্চলীয় ধালে প্রদেশে হারদাহ বাঁধের মৃত আগ্নেয়গিরি-সৃষ্ট গহ্বরের খাড়া ঢাল বেয়ে উঠছিলেন। সেই সময় হঠাৎ হাত ফসকে তিনি নিচে পড়ে যান। দেশটির সিভিল ডিফেন্স বিভাগ জানিয়েছে, জ্বালামুখটি আনুমানিক প্রায় ১২০ মিটার (৩৯৩ ফুট) গভীর। ইয়েমেনের ‘স্পাইডার-ম্যান’-এর আর পাঁচটি আরোহনের মতো এটিরও ভিডিও তোলা হচ্ছিল। ফলে দুঃসাহসিক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যা দেখে আঁতকে উঠছে নেটিজেনরা।
এতখানি গভীর খাদে পড়ায় তাঁর বাঁচার সম্ভাবনা ছিল না বললেই চলে। এর পরেও খবর পাওয়া মাত্র উদ্ধারকাজে নামে সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা। খাড়া পাহাড়, দুর্গম পথ এবং জ্বালামুখের ভেতরের বিপজ্জনক পরিবেশের কারণে উদ্ধারকারীরা চরম প্রতিকূলতার সম্মুখীন হন। প্রায় ২৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে শনিবার মরদেহ উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। অল্প সময়ে গণমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ইয়েমেনের ‘স্পাইডার-ম্যান’ আল-কাকা বিন আনতারের মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত তাঁর অসংখ্য ভক্তেরা।
