Advertisement

জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ্যে বোরখা নিষিদ্ধ শ্রীলঙ্কায়

02:00 PM Apr 29, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) জনসমক্ষে বোরখা, নিকাব-সহ যে কোনও ধরনের মুখাবরণের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করল সরকার। তবে করোনা আবহে মাস্ক পরায় কোনও নিষেধ নেই।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কথা রাখল রাশিয়া, ভারতে এসে পৌঁছল কোভিড যুদ্ধের সরঞ্জাম]

২০১৯ সালে ইস্টার সানডেতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের জেরে সাময়িকভাবে শ্রীলঙ্কায় বোরখা পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। চার্চ ও হোটেলে ঘটা ওই বিস্ফোরণে আড়াইশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। জখম হয়েছিলেন আরও অন্তত ৫০০ জন। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ইসলামিক স্টেট এই হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এরপর গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে ভাইরাসে মৃত রোগীদের জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে দাহ করে সৎকার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিলেন মুসলিম নাগরিকরা। এ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে। এহেন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার মঙ্গলবার এক ক্যাবিনেট মিটিংয়ে বোরখা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপরেই ক্যাবিনেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বুধবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ক্যাবিনেটের মুখপাত্র। তাঁর বিবৃতিতে সরাসরি বোরখা বা নিকাবের উল্লেখ না-থাকলেও রাতে মন্ত্রী বীরশেখর এক ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট লেখেন, “মুখমণ্ডল ঢাকা পড়ে যাবে, বোরখা সহ এ রকম সব আচ্ছাদন এ বার নিষিদ্ধ করা হল।”

আপাতত, এই নিষেধাজ্ঞাকে আইন করার জন্য শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে সেটিকে পাশ করতে হবে। এদিকে, এই নিষেধাজ্ঞার বিরোদ্ধে সরব হয়েছে পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সাদ খট্টক এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করে বলেছেন, “এটা বৈষম্যের রাজনীতি।” এছাড়া প্রশ্ন উঠছে, জঙ্গি শনাক্ত করার জন্য কোনও সম্প্রদায়ের ব্যবহারিক রীতিকে এভাবে আঘাত করা কতটা যুক্তিপূর্ণ? প্রশ্ন আরও, বোরখা নিষিদ্ধ করেই কি জঙ্গিদমন সম্ভব? এর আগে ফ্রান্স, বেলজিয়াম-সহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে মহিলাদের বোরখা পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল৷ কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের পিছনে এরকম কোনও কারণ ছিল না৷

[আরও পড়ুন: টিকার দু’টি ডোজ নেওয়া থাকলে মাস্ক ছাড়াই বেরনো যাবে পথে, নির্দেশ আমেরিকায়]

Advertisement
Next