এবার ইউক্রেনে আসতে হলে ভিসা লাগবে রুশ নাগরিকদের, ঘোষণা জেলেনস্কির

12:26 PM Jun 18, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের (Ukraine) উপরে রাশিয়া (Russia) হামলা করার পর কেটে গিয়েছে প্রায় চার মাস। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ঘোষণা করলেন, এবার থেকে ইউক্রেনে যেতে ইচ্ছুক রুশ নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে ভিসা ছাড়া কোনও রুশ নাগরিক ঢুকতে পারবেন না সেদেশে। শিগগিরি এই সংক্রান্ত নিয়ম চালু হতে চলেছে।

Advertisement

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782001027-0'); });

একটি টেলিগ্রাম পোস্টে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ক্যাবিনেটে পাশ হয়ে গেলেই লাগু হবে এই নিয়ম। দেশের সার্বভৌমত্ব, সুরক্ষা ও আঞ্চলিক ঐক্য রক্ষা করতেই এই পরিকল্পনা বলে জানাচ্ছেন তিনি। এই সিদ্ধান্তকে প্রতীকী বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কেননা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই দুই দেশের সীমান্ত সরকারি ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে ভিসা প্রবর্তন করলেও বর্তমান পরিস্থিতির খুব বেশি কিছু পরিবর্তন হবে না।

[আরও পড়ুন: দেশে ১৩ হাজার ছাড়াল করোনার দৈনিক সংক্রমণ, বেড়েই চলেছে অ্যাকটিভ কেস]

উল্লেখ্য, ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন সীমান্তে রুশ সেনা ঢুকে পড়ার আগে রাশিয়ার নাগরিকদের সেদেশে প্রবেশে কোনও ভিসা লাগত না। দুই দেশের মধ্যে আত্মীয়তাও রয়েছে। তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া আসা করতেন। কিন্তু যুদ্ধ সব বদলে দিয়েছে।
এদিকে ইইউ-এ ইউক্রেনের জায়গা হবে কি না, তা হয়তো শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। তার ঠিক আগেই তিন গুরুত্বপূর্ণ ইইউ সদস্যের কিভ-সফরে কোথাও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে জেলেনস্কির উদ্দেশে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়, ‘‘আপনি যা চাইছেন, ইইউ কি আদৌ তা দেবে?’’ প্রেসিডেন্ট সপ্রতিভ ভাবে বলেন, ‘‘দেখা যাক।’’ তার পরেও প্রশ্ন আসে, ‘‘আপনি কি আশাবাদী?’’ এর আর কোনও উত্তর দেননি জ়েলেনস্কি। অতিথিদের নিয়ে প্রাসাদের ভিতরে চলে যান।

Advertising
Advertising

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782050143-0'); });

এদিন রাশিয়াকে কড়া বার্তা দিয়ে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নেন জেলেনস্কি ও ইউরোপের তিন রাষ্ট্রপ্রধান। ইটালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি বলেন, “আমরা চাই এই অত্যাচার বন্ধ হোক। শান্তি ফিরুক। কিন্তু ইউক্রেন যে কোনও মূল্যে নিজেকে রক্ষা করবে। যুদ্ধের যে কোনও কূটনৈতিক সমাধান কিয়েভের মত ছাড়া সম্ভব নয়।”

[আরও পড়ুন: অগ্নিপথ ঘিরে অগ্নিগর্ভ দেশ, পরিস্থিতি সামাল দিতে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের]

Advertisement
Next