shono
Advertisement

Breaking News

US-Greenland

গ্রিনল্যান্ড দখলে প্রয়োজনে নামবে সেনাও, জানিয়ে দিল হোয়াইট হাউস, ফাঁপড়ে ইউরোপ

ট্রাম্পের নজরে এবার গ্রিনল্যান্ড।
Published By: Saurav NandiPosted: 02:21 PM Jan 07, 2026Updated: 04:33 PM Jan 07, 2026

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজরে এবার গ্রিনল্যান্ড (US-Greenland)। বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ দখল নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে সামরিক অভিযান হবে বলে জানাল হোয়াইট হাউস।

Advertisement

জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন বলে কয়েক দিন ধরেই দাবি করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর পরেই পালটা সুর চড়িয়েছেন গ্রিনল্যান্ডের ‘অভিভাবক’ ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসেন। এই আবহে গ্রিনল্যান্ডের পাশেই দাঁড়িয়েছে ব্রিটেন, জার্মানির মতো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। ঘটনাচক্রে, তার পরেই গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে বিবৃতি দিল হোয়াইট হাউস।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস বলেছে, "বৈদেশিক নীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর টিম। প্রয়োজনে সেনাও নামানো হবে। তার দায়িত্বে থাকবেন কমান্ডার-ইন চিফ।"

ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রিনল্যান্ড প্রায় ৩০০ বছর ধরে কোপেনহাগেন (ডেনমার্কের রাজধানী)-এর নিয়ন্ত্রণে। নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি পরিচালনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব দ্বীপটির স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষ দেখেন। আর বিদেশ এবং প্রতিরক্ষানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ডেনমার্ক সরকার। ঘটনাচক্রে, ডেনমার্ক আবার আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য। আমেরিকার সঙ্গে ডেনমার্কের সম্পর্কও বরাবর ভালো। সেই কথা স্মরণ করিয়ে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, “আমেরিকার কাছে আমার আর্জি, ঘনিষ্ঠ সঙ্গীকে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন।” একই সঙ্গে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “যে দেশ বা যে দেশের মানুষ বলছেন, আমরা বিক্রি হব না, তাঁদেরও হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন।”

আবার হোয়াইট হাউসেরও বক্তব্য, সামরিক জোট ন্যাটোর প্রথম সারির সামরিক শক্তি হিসাবে আমেরিকা মেরুপ্রদেশের স্বার্থকে রক্ষা করতে চায়। আর সেই কারণেই গ্রিনল্যান্ডের উপর আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা প্রয়োজন।

দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিক বার গ্রিনল্যান্ড দখলের কথা বলে এসেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবিতে ফাঁপড়ে পড়েছে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত ইউরোপের দেশগুলি। ন্যাটো নিয়ন্ত্রণ করে মূলত আমেরিকা। ফলে তারা ট্রাম্পের দাবিকে সমর্থন জানাবে না কি ডেনমার্কের পাশে দাঁড়াবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। অনেকের মত, রুশ হানা থেকে নিজেদের বাঁচাতে, প্রতিরক্ষার স্বার্থে ন্যাটোতে নাম লিখিয়েছিল ডেনমার্ক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়া নয়, ডেনমার্কের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বন্ধু আমেরিকাই। এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এ ভাবে চলতে থাকলে হয়তো ন্যাটো জোটই ভেঙে যাবে। এতে ইউরোপের স্থিতাবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে বলেই আশঙ্কা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • ভেনেজুয়েলার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজরে এবার গ্রিনল্যান্ড।
  • বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ দখল নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে।
  • প্রয়োজনে সামরিক অভিযান হবে বলে জানাল হোয়াইট হাউস।
Advertisement