ইরান যুদ্ধ প্রায় জিতেই গিয়েছে আমেরিকা। তেহরানের সামরিক পরিকাঠামো প্রায় ধ্বংসের মুখে। আগামী সপ্তাহ দুয়েকে আরও বড় হামলা চালানো হবে খামেনেইয়ের দেশে।বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে ফের সগর্বে ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এহেন আস্ফালনে শান্তির সম্ভাবনা ধুলিসাৎ হতেই রক্তাক্ত দালাল স্ট্রিট। বৃহস্পতিবার লগ্নিকালেই সেনসেক্স পড়ল প্রায় ১৫০০ পয়েন্ট। নিফটি নামল ৪২৬ পয়েন্ট। মধ্যপ্রাচ্যের বাতাসে বারুদের গন্ধ তীব্র হতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন লগ্নিকারীরা। যার জেরেই শেয়ার বাজারে ধস নেমেছে।
এদিন ট্রাম্প বলেন, “অপারেশন এপিক ফিউরির সূচনালগ্ন থেকেই আমরা বলে আসছি যে, আমাদের উদ্দেশ্যগুলি সম্পূর্ণরূপে অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই অভিযান চালিয়ে যাব। আজ আমি বলতে পারব আমাদের উদ্দেশ্য প্রায় সফল হয়ে গিয়েছে। এই যুদ্ধ আমরা প্রায় জিতেই গিয়েছি। শীঘ্রই আমাদের কাজ শেষ হয়ে যাবে। আগামী দু’তিন সপ্তাহ ধরে আমরা ইরানের উপর কঠোর আঘাত হানব। লক্ষ্যবস্তু করা হবে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে।” তিনি আরও বলেন, “ইরানের নৌবাহিনী নিশ্চিহ্ন। তাদের বিমানবাহিনীও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইরানের অধিকাংশ নেতারই মৃত্যু হয়েছে। এই মুহূর্তে ইসলামিক রিভ্যালুশিনারী গার্ড ইরানের উপর নিজেদের হারাচ্ছে। এখন তারা আর ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলাও চালাচ্ছে না। ইরানের সামরিক পরিকাঠামো অস্ত্রভাণ্ডার ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে আমেরিকা।”
একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালী নিয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘বন্ধু’ দেশগুলিকে বিশেষ বার্তা দিয়েছে। তিনি বলেন, “আপনারা সাহস দেখান, হরমুজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।” তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ইরানের সম্পদ দখল করা নয়। বরং আমেরিকার মিত্রদের সাহায্য করা। ট্রাম্প বলেন, “আমরা এখন মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরশীল নয়। আমাদের সেখানে থাকার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তাদের তেল-সহ কোনও সম্পদেরই আমাদের প্রয়োজন নেই। আমরা আমাদের বন্ধু দেশগুলিকে সাহায্য করতেই সেখানে আছি।”
