shono
Advertisement
Donald Trump

'সময় ফুরিয়ে আসছে, এরপর আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না', ইরানকে শর্ত ধরিয়ে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আশঙ্কা করা হচ্ছে, আমেরিকার দেওয়া শর্ত যদি ইরান না মানে সেক্ষেত্রে নতুন করে হামলা হতে পারে ইরানের মাটিতে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 09:35 AM May 18, 2026Updated: 02:48 PM May 18, 2026

স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছতে কিছুটা নরম হয়ে ইরানকে ৫ শর্ত দিয়েছে আমেরিকা। সেই শর্ত প্রসঙ্গে ইরানের তরফে এখনও কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি। এই অবস্থায় তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জানালেন, 'সময় ফুরিয়ে আসছে। ওদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নাহলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।'

Advertisement

আপাতত ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষবিরতি চললেও, পরিস্থিতি যে কোনও মুহূর্তে গুরুতর আকার নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইজরায়েলের পরবর্তী রণকৌশল। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আমেরিকার দেওয়া শর্ত যদি ইরান না মানে সেক্ষেত্রে নতুন করে হামলা হতে পারে ইরানের মাটিতে। এই ডামাডোলের মাঝেই নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ইরানের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাম্প্রতি সময়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। তাঁদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইজরায়েলের পরবর্তী রণকৌশল।

ট্রুথ হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, 'ইরানের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ওদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। অন্যথায় কোনও কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। কারণ সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।' ট্রাম্পের এহেন হুঁশিয়ারি অবশ্য প্রথমবার নয়, এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ঠিক আগে একইরকম হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প, ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে তাদের পুরো সভ্যতা ধ্বংস করার বার্তা দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক এই বার্তায় সেই একই হুমকির সুর শোনা যাচ্ছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

উল্লেখ্য, চুক্তির লক্ষ্যে আমেরিকা ইরানকে যে ৫ শর্ত দিয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ইরানকে একটি পরমাণু ঘাঁটি চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, যুদ্ধের জেরে ইরান যে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছিল আমেরিকার কাছে, তা কোনওভাবেই দেওয়া না। দাবি অনুযায়ী, ইরানকে ৪০০ কিলোগ্রাম ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে। এবং আমেরিকা ইরানের যে বৈদেশিক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছে তার ২৫ শতাংশও ফেরানো হবে। অন্যদিকে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে তেহরানের দাবিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সতর্ক করে বলেন, এই যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement