সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স তার মাত্র ১১। অথচ বুদ্ধি এবং মেধার বিচারে সে ইতিমধ্যেই ছাপিয়ে গিয়েছে আইনস্টাইনকেও। মেক্সিকোর বিস্ময় বালিকা আধারা পেরেজ স্যাঞ্চেজের আইকিউ স্কোর ১৬২, যা বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের থেকেও বেশি। আধারা অটিজম আক্রান্ত। তবে এই ব্যাধি তার বুদ্ধিমত্তায় কোনও বাধা তৈরি করতে পারেনি। সিএনসিআই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক আধারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়েরও ডিগ্রিধারী। বিরল প্রতিভাধর এই বালিকা শীঘ্রই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিও অর্জন করতে চলেছে। আধারা চায় নভশ্চর হতে, নাসায় কাজ করতে। তাঁর স্বপ্ন, একদিন সে মহাকাশে পাড়ি দেবে, মঙ্গল গ্রহে কলোনি গড়বে।
মেক্সিকান এই কন্যার বয়স যখন মাত্র তিন বছর, তখনই পরীক্ষায় ধরা পড়ে, সে অটিজমের শিকার। কথাবার্তায় অস্বাভাবিক জড়তা দেখে তার অভিভাবকরা চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হন। তখনই সত্যিটা সামনে আসে। পরবর্তীকালে সে যখন স্কুলে ভরতি হয়, তখন শুরু হয় আরেক সমস্যা। সহপাঠীদের কাছে ঠাট্টা-তামাশার শিকার হতে শুরু করে সে। এমনকী, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছ থেকেও সহানুভূতি পায়নি আধারা, এমনটাই দাবি তার মা, নায়েলির। এই সবের জেরে তিনবার স্কুল বদল করতে হয় আধারাকে।
[আরও পড়়ুন: আইপিএলেও ডিএ প্রতিবাদ, ব্যানার হাতে ইডেনে ম্যাচ দেখতে হাজির সরকারি কর্মীরা]
বিশেষ থেরাপিও শুরু করা হয়। ঠিক এই সময়ই অন্য দিকে মোড় দেয় বালিকার জীবন। তার থেরাপিস্ট লক্ষ করেন, আধারার মনে রাখার ক্ষমতা সমবয়সি শিশুদের তুলনায় অনেক অনেক বেশি। ওই থেরাপিস্টই নায়েলিকে বলেন, মেয়েতে সেন্টার ফর অ্যাটেনশন টু ট্যালেন্ট নামে একটি বিশেষ প্রতিষ্ঠানে ভরতি করতে। দেখা যায়, আধারার আইকিউ অনেক বেশি। আইনস্টাইন কিংবা স্টিফেন হকিং-এর থেকেও। আধারা জানিয়েছে, ‘‘আমি মহাকাশে যেতে চাই। মঙ্গল গ্রহে যেতে চাই। অদূর ভবিষ্যতে নিজেকে নাসাতেই দেখি। তাই নিজেকে তৈরি করছি।’’