তারেক রহমানের আমলেও কি বাংলাদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি অব্যাহত? বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় সোমবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার হলেন শেখ হাসিনা সরকারের আমলের বাংলাদেশ সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী (Shirin Sharmin Chaudhury)। ঢাকা নগর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজধানীর লালবাগ থানায় জনৈক আশরাফুলের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রাক্তন স্পিকারকে। ওই মামলার ৩ নম্বর আসামি শিরিন শারমিন চৌধুরী। এক নম্বর আসামি শেখ হাসিনা এবং দু'নম্বর আসামি ওবায়দুল কাদের। গত রাতে ধানমন্ডির খুড়তুতো ভাইয়ের বাসা থেকে প্রাথমিক ভাবে আটক করা হয় শিরিনকে। এর পর মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, শিরিন দুই দফায় বাংলাদেশ সংসদের স্পিকার ছিলেন। ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী সংসদ ভেঙ্গে দিলেও স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার বহাল থাকেন। যদিও বাংলাদেশ সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গণঅভ্যুত্থানের পরই গ্রেপ্তার হন। অন্যদিকে শিরীন স্পিকার পদে বহাল ছিলেন। সেই বছরই সেপ্টেম্বরের গোড়ায় পদত্যাগ করেন তিনি। সেই সময় আওয়ামি লিগ অভিযোগ করেছিল, গ্রেপ্তারির হুমকির পেয়েই পদ ছাড়েন শিরিন। এর পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বটে, তবে শিরিন এবং তাঁর স্বামীর বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সিল করে দেয় পুলিশ।
২০১৩ সালে তিনি বাংলাদেশ সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন। ছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনের কাছের মানুষ। সেই দোষেই কি গ্রেপ্তার হলেন শিরিন শারমিন চৌধুরী? প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তারেক জমানাতেও সক্রিয় ইউনুস ঘনিষ্ট জামাত শিবির?
