বাংলাদেশে এবার খুন হলেন এক হিন্দু ব্যবসায়ী। নিজের হোটেলের কর্মীদের বাঁচাতে যাওয়ায় তাঁকেই পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। দাবি, লিটনচন্দ্র দাস নামে বছর পঞ্চান্নর ওই প্রৌঢ়কে বেলচা দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশের গাজিপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বরাহনগকে একটি হোটেল এবং একটি মিষ্টির দোকান রয়েছে লিটনের। শনিবার সকালে লিটনের মিষ্টির দোকানের কর্মচারী অনন্ত দাসের সঙ্গে এক খদ্দেরের বচসা বাধে। স্থানীয় সূত্রে খবর, লিটন তা-ই থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। সেই সময়েই কয়েক জন মিলে প্রৌঢ়ের উপর চড়াও হন। তাঁকে রাস্তায় ফেলে এলোপাথাড়ি চড়-ঘুসি মারা হয়। সেই সময়েই একজন বেলচা দিয়ে লিটনের মাথায় আঘাত করেন। তার কিছু ক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় লিটনের। কালীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য ভবনের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক জানান, লিটনকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিক ভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। লিটনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার ভোরে বাংলাদেশের রাজবাড়ি সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ে রিপন সাহা নামের এক পেট্রলপাম্প কর্মীকে গাড়ি চালিয়ে পিষে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বাংলাদেশে আরও একজন সংখ্যালঘুকে খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে এল।
