সুকুমার সরকার, ঢাকা: শরণার্থী শিবিরে একের পর এক হত্যার ঘটনায় আতঙ্কিত রোহিঙ্গারা। পরিস্থিতি সামলাতে অবশেষে মোতায়েন বিশাল পুলিশবাহিনী। কে বা কারা এই হত্যার নেপথ্যে তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
[আমরণ অনশনের হুমকি যাদবপুরের পড়ুয়াদের, শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ সুরঞ্জন]
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, একাধিক হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত খুন হয়েছেন ১৯ জন রোহিঙ্গা। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই রোহিঙ্গা নেতা। এহেন ঘটনায় বিস্তর আতঙ্ক ছড়িয়েছে শরণার্থীদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে পিস্তল, ছোরা নিয়ে শিবিরে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। দিনের বেলায় শিবিরগুলি ঘিরে পাহারা দেয় সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। তবে রাতের বেলায় অল্প কয়েকজন পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকে শিবিরের সুরক্ষায়। এই সুযোগে হামলা চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।
কক্সবাজারের পুলিশকর্তা একেএম ইকবার হুসেন জানিয়েছেন, শরণার্থীদের নিরাপত্তায় ২ হাজার ৪০০ লোকের একটি বিশেষ বাহিনী গঠন করা হয়েছে। সুপারিনটেনডেন্ট আফরুজুল হক টুটুল জানান, পুলিশকর্মীদের সংখ্যা ইতিমধ্যে বাড়ানো হয়েছে। ১০ লক্ষ লোকের জন্য এক হাজার পুলিশকর্মী রয়েছেন। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। গত মাসেই বালুখালী আশ্রয় শিবিরের বাইরে রোহিঙ্গা নেতা আরিফুল্লাহকে কুপিয়ে খুন করা হয়। এই ঘটনায় তিন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলার নেপথ্যে রোহিঙ্গা জঙ্গি গোষ্ঠrর হাত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সংঘাত বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মায়ানমার ফিরতে চাইছে না রোহিঙ্গারা। ইচ্ছাকৃতভাবেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া জটিল করে তুলছে শরণার্থীরা। তাঁদের সব দাবি মেটানো সম্ভব নয়। ফলে বাংলাদেশ ছেড়ে কোনওদিন যাবে না রোহিঙ্গারা। একের পর এক দাবি তুলে উদ্বাস্তুদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া আরও জটিল করে তুলছেন রোহিঙ্গা নেতারাই।
[জন্মদিনে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মালা অরূপের, রাজনৈতিক মহলে তুঙ্গে বিতর্ক]
The post রোহিঙ্গা শিবিরে ঘাতকের হানা, আতঙ্কে ঘুম উড়েছে শরণার্থীদের appeared first on Sangbad Pratidin.
