বাংলাদেশের চুয়াডাঙায় সেনা-পুলিশের যৌথ অভিযানে আটক করা হয়েছিল এক বিএনপি নেতাকে। এর কিছুক্ষণ পরেই হেফাজতে থাকা অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির। পরিবারের অভিযোগ, বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলুকে সেনা হেফাজতে অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছিল। এর জেরেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে সেনা। সংসদীয় নির্বাচনের আগে সেনা হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যুতে নতুন করে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে পদ্মাপাড়ে।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা অভিযানে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। এক বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব এই ঘটনার নিন্দা করেন। অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চেয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, "আমরা মনে করি, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত এ ধরনের ঘটনা দেশের জন্য শুভ নয়।"
জীবননগরের বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী জেসমিন নাহারের অভিযোগ, ডাবলুকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। জেসমিন আরও বলেন, সেনাবাহিনী ডবলুকে তার ফার্মেসি থেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে। উল্লেখ্য, এর আগে কারওয়ান বাজারেও এক তরুণ বিএনপি নেতাকে গুলি করা হয়েছিল। এছাড়াও আওয়ামি লিগ নেতা এবং বিখ্যাত গায়ক প্রলয় চাকী জেলে হেফাজতে থাকাকালীন মারা গিয়েছেন।
